সর্বশেষ

সারাদেশ

নড়াইলে বরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ১০৩তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন

স্টাফ রিপোর্টার, নড়াইল
স্টাফ রিপোর্টার, নড়াইল

সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬ ১১:৩৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ১০৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নড়াইলে নানা উৎসবমুখর কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগ এবং স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে শ্রদ্ধানিবেদন, আর্টক্যাম্প, চিত্রপ্রদর্শনী ও আলোচনা সভার মাধ্যমে এই মহান শিল্পীকে স্মরণ করা হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তারকে ‘এসএম সুলতান সম্মাননা পদক’ প্রদান করা হয়।

বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের জন্মোৎসবকে কেন্দ্র করে সোমবার ভোর থেকেই নড়াইলের সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা চত্বর মুখরিত হয়ে ওঠে। দিনের কর্মসূচির শুরুতে আয়োজন করা হয় পবিত্র কোরআন খতমের। সকাল নয়টার দিকে শিল্পীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নড়াইল জেলা প্রশাসন, সুলতান ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন পর্বের পর শিশুদের জন্য একটি বিশেষ আর্টক্যাম্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। এরপর অতিথিরা পর্যায়ক্রমে ভাসমান শিশুস্বর্গ (নৌকা), শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং শিশু চিত্রশিল্পীদের চমৎকার সব আঁকা ছবি দিয়ে সাজানো চিত্রপ্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।

বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বরেণ্য এই শিল্পীর জীবন ও কর্মের ওপর বিশদ আলোকপাত করা হয়। সভার শুরুতেই প্রধান অতিথি সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর হাত থেকে এবারের ঐতিহ্যবাহী ‘এসএম সুলতান সম্মাননা পদক’ গ্রহণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সাবেক বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তার।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, এস এম সুলতান ছিলেন মাটি ও মুক্ত মানুষের আজীবন রূপকার। তাঁর নিপুণ তুলির আঁচড় বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। দেশের হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ ঐতিহ্য যেমন—জারিগান, যাত্রাপালা, নৌকা বাইচ ও লোকমেলা ফিরিয়ে এনে সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা পুনরুজ্জীবিত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানান তিনি।

নড়াইলের মাছিমদিয়া গ্রামে ১৯২৩ সালের ১০ আগস্ট জন্মগ্রহণ করা এই কালজয়ী শিল্পী তাঁর চিত্রকর্মে গ্রামীণ শ্রমজীবী মানুষের পেশিশক্তি ও যাপিত জীবনকে ফুটিয়ে তুলেছিলেন অসাধারণ দক্ষতায়। শিল্পকলায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮২ সালে একুশে পদক এবং ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হওয়া এই মহান সাধক ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর চিরবিদায় নেন।

১৩৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন