হজে আরও ২০ হাজার কোটা বরাদ্দ চায় হাব
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:১১ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
২০২৭ সালের পবিত্র হজে বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটার বাইরে আরও ২০ হাজার হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। এ বিষয়ে রোববার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে আবেদন করেছে সংগঠনটি।
২০২৭ সালের পবিত্র হজে নির্ধারিত কোটার অতিরিক্ত আরও ২০ হাজার হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)।
রোববার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে এ সংক্রান্ত আবেদন করে সংগঠনটি। আবেদনে অতিরিক্ত সচিব (হজ)-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
আবেদনে হাব জানায়, বাংলাদেশের জন্য সৌদি সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৫০০ জনের হজ কোটা ইতোমধ্যে পূর্ণ হয়েছে। এর বাইরে আরও ২০ হাজারের বেশি হজযাত্রী নিবন্ধনের সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন। এসব মানুষ ২০২৭ সালে হজ পালনের জন্য মানসিক ও আর্থিকভাবে প্রস্তুত বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ অবস্থায় অপেক্ষমাণ হজযাত্রীদের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সৌদি সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বাংলাদেশের হজ কোটা আরও ২০ হাজার বাড়ানোর জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে হাব।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে দেওয়া আবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের জন্য হজযাত্রীর নির্ধারিত কোটা ছিল ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। তবে গত কয়েক বছরে রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক সংকটসহ বিভিন্ন কারণে হজযাত্রীর সংখ্যা কমে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৭ সালের জন্য বাংলাদেশের হজ কোটা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৫০০ জন নির্ধারণ করেছে সৌদি সরকার।
হাবের আবেদনে আরও বলা হয়, এবার হজ পালনে আগ্রহীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। নিবন্ধনের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা পূর্ণ হয়ে যায়। এরপরও ২০ হাজারের বেশি হজযাত্রী হজ পালনের সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন। হজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বিপুলসংখ্যক এসব মানুষ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নিয়েছেন।
সংগঠনটি বলেছে, নির্ধারিত কোটা পূরণের পরও বিপুলসংখ্যক হজযাত্রী হজ পালনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন। এ অবস্থায় আল্লাহর মেহমানদের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে নির্ধারিত কোটার অতিরিক্ত আরও ২০ হাজার হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
আবেদনে বলা হয়, সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে অপেক্ষমাণ হজযাত্রীরা ২০২৭ সালে পবিত্র হজ পালনের সুযোগ পাবেন।
উল্লেখ্য, ২০২৭ সালের পবিত্র হজের জন্য বাংলাদেশকে ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা দিয়েছে সৌদি সরকার। এ কোটার আওতায় সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রীরা সৌদি আরবে যাবেন।
১০৮ বার পড়া হয়েছে