শব্দকুঞ্জের আবৃত্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬ অনুষ্ঠিত, তরুণদের কণ্ঠে কবিতার আবেগ
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬ ২:২৫ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাহিত্য ও আবৃত্তিচর্চাকে উৎসাহিত করতে ‘শব্দকুঞ্জ’ আয়োজিত আবৃত্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন। প্রতিযোগিতায় উচ্চারণ, কণ্ঠস্বরের ওঠানামা, আবেগের প্রকাশ ও উপস্থাপনার দক্ষতার ভিত্তিতে অংশগ্রহণকারীদের মূল্যায়ন করা হয়।
সাহিত্য ও আবৃত্তির প্রতি তরুণদের
আগ্রহ বাড়াতে ‘শব্দকুঞ্জ’ আয়োজিত আবৃত্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬ গত ৭ জুলাই জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন কলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় ছাত্র উপদেষ্টা দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত এই প্রতিযোগিতায় বাংলা কবিতার পাঁচজন বিশিষ্ট কবির যেকোনো একটি কবিতা আবৃত্তির সুযোগ রাখা হয়। অংশগ্রহণকারীরা কাজী নজরুল ইসলাম, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জীবনানন্দ দাশ, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এবং রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর কবিতা পরিবেশন করেন।
প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশনবিদ্যা বিভাগের প্রদর্শক আরিফ হাসান এবং এশিয়ান ইউনিভার্সিটির বাংলা বিভাগের প্রভাষক সিনথিয়া জাহান বিথুন।
বিচারকরা প্রতিযোগীদের উচ্চারণের শুদ্ধতা, কণ্ঠস্বরের নিয়ন্ত্রণ, আবেগের যথাযথ প্রকাশ, ছন্দ ও উপস্থাপনার সামগ্রিক মান বিবেচনায় নম্বর প্রদান করেন। আয়োজকদের মতে, প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য ছিল নতুন প্রজন্মের মধ্যে বাংলা কবিতা ও আবৃত্তিচর্চাকে আরও বিস্তৃত করা এবং সাহিত্যচর্চার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করা।
প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের জন্য বই পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখা হয়। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককে ই-সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।
প্রতিযোগিতা শেষে বিচারক সিনথিয়া জাহান বিথুন নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন তাঁর জন্য ছিল নতুন অভিজ্ঞতা। প্রতিযোগীদের উচ্চারণ, কণ্ঠস্বরের ওঠানামা ও আবেগের যথাযথ প্রয়োগ বিবেচনা করে নিরপেক্ষভাবে নম্বর প্রদান করা সহজ ছিল না। বিশেষ করে নম্বর দেওয়ার সময় প্রতিযোগীদের প্রত্যাশাময় দৃষ্টির কারণে দায়িত্বটি আরও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে।
১৪৫ বার পড়া হয়েছে