কী লেখা এতে!
শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬ ৫:৪৬ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
মাঝরাতে শিয়ালের ঘুম ভেঙে গেলে মানুষেরা ঘুমিয়ে সকালের সৌন্দর্য পড়ে, খানিক পরে শিয়ালের চতুর ডাকে চাতুর্যপাড়া জেগে উঠে, তাতে সায় দেয় সতর্ক শিক্ষানবীশ শেয়ানও, সকালের আগেআগে ওরা পাড়া, মহল্লা দাবরিয়ে অফিস করে বেড়ায়, পকেট ভারী না হওয়া পর ভিটামিন ডির লোভে জামা খুলে মধ্যাকাশে সুর্যের তেজ ধরে খায়।
খাওয়ার পরে পকেটপুরে পড়ে দেখে ঃ লাভ-লাভ, লাভলাভ! ওমনি ভাতঘুমের আশায় দৌড়ানি, পুরোটা দুপুর ঘরময় দাবরে সন্ধ্যার নিঝুম চাপরাশির সাথে বিজন মাঠের মাঝখানে নির্জনে নিন্দুকের ধোয়া ওড়ায়!
সবকিছু মিটে গেলে মাতালের হিসেবটা অমিমাংসিত অবস্থায় আপাতত পান্ডুলিপির খুতি বন্ধ করে সাবধানে ঘুমোতে যায়।
ঘুমোনোর পরে বেলা করে উঠে, সব নীতির স্ততিপড়ে আবার ঘুমিকদল শতসহস্রচিন্তা নিয়ে ঘুমিয়ে যায় শেয়ালের ডাকে এমনি করে রোজ জেগে ওঠে চাতুর্যপাড়া;
কোন দুর্যোগেই এদের কামাই, কারবার বন্ধ হয় না,
ঘুম বন্ধ হয় মানুষের, শেয়ালের ক্ষুধার্ত ধারালো ডাকাডাকিতে আহাজারী নিয়ে ঘুমোনো মানুষের দলও জেগে উঠে দেখে, পাড়ারাও জেগেছে, শেয়ালের দাপাপাপিতে পুরোপাড়ার পল্লবীমাঠ পৈথানের ছেড়া ন্যাকড়া সব উধাও, একটা কিছুই অবশিষ্ট নেই লুট হয়েছে সব লুট।
মানুষের চোখের সামনে শেয়ালের হিংস্র দল লুটে নিলো মুরগী, মোরব্বা, করমচাবন, কুমুদিনী নদীর স্রোত, আশ্রয়আবাসন, বিশাল বালিমহাল, পাহাড়, খাল, বিল, হাওর-বাওর!
লুটে যাওয়ার পথে মানুষের চোখের সামনে একটা নীলরঙা খামে পাতলা পত্র ধরিয়ে যায়!
কী লেখা তাতে?
কৌতূহলী প্রশ্নের মুখে বেচারা পাতলা খাম উড়ে
পদ্মা-যমুনা, তিস্তা,ঘাঘটের ঘোলাজলে
ভাসতে ভাসতে ডুবে গেলো!
১৩০ বার পড়া হয়েছে