সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ: ৯শ' গ্রেপ্তার

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬ ৫:৪৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
দক্ষিণ আফ্রিকাজুড়ে অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ৯০০–এর বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অধিকাংশ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ হলেও কয়েকটি এলাকায় সহিংসতা, লুটপাট ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েকটি প্রদেশে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ

দক্ষিণ আফ্রিকাজুড়ে অনুষ্ঠিত অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভের পর ৯০০–এর বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। বুধবার পুলিশ এ তথ্য জানায়। আগের দিন মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বিক্ষোভের বেশির ভাগই শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলেও কয়েকটি এলাকায় সহিংসতা, লুটপাট ও গুলির ঘটনা ঘটে।

পুলিশের উপ-জাতীয় কমিশনার টেবেলো মোসিকিলি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, দেশজুড়ে মোট ১২০টি বিক্ষোভ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ১০৮টি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলেও ১২টি কর্মসূচিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে হস্তক্ষেপ করতে হয়।

তিনি জানান, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে দেশে অবস্থান, জনশৃঙ্খলা ভঙ্গ, সহিংসতা সৃষ্টি, অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়া এবং ডাকাতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে।

পুলিশের পৃথক এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে জোহানেসবার্গের আলেকজান্দ্রা টাউনশিপে বিদেশি নাগরিকদের মালিকানাধীন ছোট দোকান, স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘স্পাজা শপ’, লুটপাটের সময় গুলিতে একজন নিহত হন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশটির নয়টি প্রদেশের মধ্যে পাঁচটিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি জোহানেসবার্গের অভ্যন্তরীণ শহরাঞ্চল হিলব্রো এলাকায় সেনা সদস্যও মোতায়েন করা হয়েছে। সেখানে গুলির ঘটনায় অন্তত দুজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে বন্দরনগরী ডারবানে এক বিদেশি নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, বিক্ষোভ শুরুর আগের রাতে হামলার আশঙ্কায় তিনি একটি বহুতল ভবনের অষ্টম তলা থেকে লাফ দেন। এতে তাঁর মৃত্যু হয়।

মঙ্গলবারের এই বিক্ষোভ একটি অভিবাসীবিরোধী আন্দোলনের নির্ধারিত ‘ডেডলাইন’কে ঘিরে আয়োজন করা হয়। আন্দোলনকারীরা অবৈধভাবে অবস্থানরত অভিবাসীদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা ত্যাগের আহ্বান জানিয়েছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, গত কয়েক মাস ধরে দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিবাসন ইস্যুকে কেন্দ্র করে সামাজিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। বেকারত্ব, অর্থনৈতিক চাপ এবং নিরাপত্তা–সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে এ ধরনের বিক্ষোভ আরও তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

১১৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন