সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬ ৫:০৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের পরিবর্তে ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটনকে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। দীর্ঘদিন ধরে টানা মোতায়েন থাকা আব্রাহাম লিংকনের নাবিকদের জীবনযাত্রা ও কর্মপরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মার্কিন আইনপ্রণেতারা।

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন একটি বিমানবাহী রণতরি পাঠানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির নৌবাহিনীর ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটনকে সেখানে মোতায়েন থাকা ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের স্থলাভিষিক্ত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ২৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে মোতায়েন রয়েছে। এর মধ্যে টানা প্রায় ২০০ দিন কোনো বন্দরে থামেনি রণতরিটি। দীর্ঘ সময় ধরে এভাবে মোতায়েন থাকার কারণে এতে থাকা নাবিকদের জীবনযাত্রার মান ও কর্মপরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

গত বছরের নভেম্বরে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকে মোতায়েন করা হয়। পরে জানুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের আগে রণতরিটিকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে পাঠানো হয়। যুদ্ধের সময় ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’তে রণতরি ও এতে থাকা যুদ্ধবিমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এরপর ইরানের বন্দরগুলো ঘিরে মার্কিন অবরোধ কার্যকর রাখার কাজেও রণতরিটি যুক্ত ছিল।

দীর্ঘ সময় ধরে চলা সামরিক অভিযানের কারণে আব্রাহাম লিংকনের নাবিকেরা চাপের মধ্যে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন আইনপ্রণেতারা। তাঁদের জীবনযাত্রার মান ও কর্মপরিবেশ নিয়ে পেন্টাগনের কাছে বিস্তারিত তথ্যও চাওয়া হয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং ভারপ্রাপ্ত নৌবাহিনী প্রধান হুং কাওয়ের কাছে লেখা এক চিঠিতে সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল রণতরিতে বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে রয়েছে মৌলিক সামগ্রীর ঘাটতি, পানি দূষণ, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার সমস্যা, মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি, ডেকের নিরাপত্তা এবং ডাক ব্যবস্থায় বিঘ্ন।

ব্লুমেনথাল আরও অভিযোগ করেছেন, রণতরিতে পাঠানো অনেক পার্সেল এবং পরিবারের পাঠানো প্রয়োজনীয় সামগ্রী পথে হারিয়ে গেছে। কয়েক মাস পার হলেও এসব সামগ্রীর অনেকগুলোর সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে তিনি জানিয়েছেন।

মার্কিন প্রতিনিধি মার্লিন স্টুটজম্যানও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার সিএনএনকে তিনি বলেন, এ বিষয়ে পেন্টাগন ও মার্কিন প্রশাসনের কাছ থেকে নতুন তথ্য চাইবেন তিনি।

স্টুটজম্যানের ভাষ্য, দেশের জন্য দায়িত্ব পালন করা নাবিকদের অন্তত এই নিশ্চয়তা পাওয়া উচিত যে তাঁদের যথাযথ যত্ন নেওয়া হচ্ছে।

আব্রাহাম লিংকনের দীর্ঘমেয়াদি মোতায়েনের মধ্যে নাবিকদের কর্মপরিবেশ নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তার প্রেক্ষাপটে জর্জ ওয়াশিংটনকে সেখানে পাঠানোর পরিকল্পনাটি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

১২৬ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন