সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের টেকসই উন্নয়নে নতুন গবেষণা পরিকল্পনা প্রণয়ন হবে: এমপি কাজল
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬ ৩:০০ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
বঙ্গোপসাগরের মৎস্য সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা, প্রজনন প্রযুক্তি এবং নীল অর্থনীতির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে নতুন গবেষণা পরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব লুৎফুর রহমান কাজল। এ লক্ষ্যে কক্সবাজারে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র, কক্সবাজারে মঙ্গলবার (১৬ জুন) "বার্ষিক গবেষণা অগ্রগতি পর্যালোচনা ও গবেষণা প্রস্তাবনা চূড়ান্তকরণ" শীর্ষক আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় বঙ্গোপসাগরের মৎস্য সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা, প্রজনন প্রযুক্তি এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে মোট নয়টি গবেষণা প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব লুৎফুর রহমান কাজল। তিনি খাঁচায় মাছ চাষ, সামুদ্রিক শৈবাল (সী-উইড) চাষ এবং কাঁকড়া মোটাতাজাকরণে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে কার্যকর গবেষণা পরিকল্পনা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্রের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালার উদ্বোধনী পর্বে স্বাগত বক্তব্য দেন কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আশরাফুল হক।
পরে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি কেন্দ্রের উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রযুক্তি, নীল অর্থনীতিতে গবেষণার অবদান এবং সম্ভাবনাময় চলমান কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. মো. লতিফুল ইসলাম।
দুটি কারিগরি অধিবেশনে ব্লু ইকোনমির টেকসই উন্নয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিনটি নতুন প্রকল্প প্রস্তাবনাসহ মোট নয়টি কার্যক্রম উপস্থাপন করা হয়।
নতুন প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে রয়েছে—সামুদ্রিক হ্যাচারি শিল্পের জন্য দেশীয় প্রযুক্তিতে মাইক্রোফিড উৎপাদন, ল্যান্ডভিত্তিক ও স্যাটেলাইট তথ্য ব্যবহার করে বাংলাদেশের উপকূলে সম্ভাব্য মাছ ধরার অঞ্চল নির্ধারণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মূল্যায়ন এবং কোরাল মাছের হ্যাচারিতে ব্যাপক পোনা উৎপাদন প্রযুক্তি উন্নয়ন।
দিনব্যাপী কর্মশালায় বিজ্ঞানী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, হ্যাচারি মালিক, মৎস্যচাষি, উদ্যোক্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
১২০ বার পড়া হয়েছে