সর্বশেষ

খেলা

সিলেট টেস্ট : বড় ব্যবধানে পিছিয়ে বাংলাদেশ, প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানের ২১/০

স্পোর্টস রিপোর্টার
স্পোর্টস রিপোর্টার

শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬ ১:৪৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চলমান দ্বিতীয় টেস্টে প্রথম ইনিংসে লিটন কুমার দাসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পরও বড় ব্যবধানে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।

দিনের শেষ বিকালে মাত্র ৬ ওভার ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে কোনো উইকেট না হারিয়ে ২১ রান সংগ্রহ করেছে পাকিস্তান। ফলে স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংসের চেয়ে তারা এখনো ২৫৭ রানে পিছিয়ে আছে।

পাকিস্তানের হয়ে আজম আওয়াইজ ১৩ রানে এবং আবদুল্লাহ ফজল ৮ রানে অপরাজিত আছেন। বাংলাদেশের হয়ে এই সংক্ষিপ্ত সময়ে তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাহিদ রানা বোলিং করলেও কোনো উইকেটের দেখা পাননি তারা।

এর আগে ব্যাটিংয়ে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশকে একাই টেনে তোলেন লিটন কুমার দাস। তার সেঞ্চুরির ওপর ভর করে দলীয় সংগ্রহ কিছুটা সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছায়। তবে পুরো দল ২৭৮ রানে অলআউট হয়।

শেষ ব্যাটার হিসেবে রানের খাতা না খুলেই আউট হন নাহিদ রানা। হাসান আলীর দ্বিতীয় শিকার হন তিনি। এর আগে ১২ রান করে অপরাজিত ছিলেন শরিফুল ইসলাম।

বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ১২৬ রানের ইনিংস খেলেন লিটন কুমার দাস। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত আউট হওয়ার পর ক্রিজে এসে তিনি দলের হাল ধরেন। ১০৬ রানে ৪ উইকেট হারানো অবস্থায় তিনি প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। খুররম শাহজাদের বলে চার মেরে তিনি তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছান।

পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে এটি তার টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। এর আগে ২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তিনি ১৩৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন।

এই ইনিংসে তিনি ১৬টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন। তার সঙ্গে তাইজুল ইসলামের ৬০ রানের জুটি বাংলাদেশের ইনিংসকে কিছুটা স্থিতি দেয়। তাইজুল ১৬ রান করে সাজিদ খানের বলে বোল্ড হন।

এরপর দ্রুত ফিরে যান তাসকিন আহমেদ। খুররম শাহজাদের চতুর্থ শিকার হয়ে তিনি স্লিপে সালমান আলী আগার হাতে ক্যাচ দেন, করেন ৭ রান। দলীয় স্কোর তখন ২১৪/৮।

নবম ব্যাটার হিসেবে লিটন আউট হন দলীয় ২৭৮ রানে। তিনি হাসান আলীর বলে পুল করতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দেন। আউট হওয়ার আগে শরিফুল ইসলামের সঙ্গে ৬৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন তিনি।

ম্যাচের শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই মোহাম্মদ আব্বাসের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে ফেরেন মাহমুদুল হাসান জয়।

অভিষেক টেস্টে ভালো শুরুর পরও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি তানজিদ হাসান তামিম। ৩৪ বলে ৩টি চারে ২৬ রান করে তিনি আব্বাসের বলে টপ এজ হয়ে ক্যাচ দেন।

সেট হয়ে যাওয়ার পরও মুমিনুল হক আউট হন খুররম শাহজাদের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে। ৪১ বলে ৩ চারে ২২ রান করেন তিনি। ৬৩ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

৩ উইকেটে ১০১ রান নিয়ে লাঞ্চে যায় বাংলাদেশ। কিন্তু লাঞ্চের পর দ্রুতই ভেঙে পড়ে তাদের ব্যাটিং লাইনআপ। একে একে আউট হন অধিনায়ক শান্ত, মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ।

শান্ত (২৯) মোহাম্মদ আব্বাসের সুইংয়ে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দেন। মুশফিক (২৩) এলবিডব্লিউ হন খুররম শাহজাদের বলে। মিরাজ মাত্র ৪ রান করে ডিপ ফাইন লেগে ক্যাচ দেন এবং খুররমের তৃতীয় শিকার হন।

পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে সফল ছিলেন খুররম শাহজাদ, যিনি ৪টি উইকেট নেন। মোহাম্মদ আব্বাস নেন ৩টি উইকেট, হাসান আলী ২টি এবং সাজিদ খান নেন ১টি উইকেট।

১০৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
খেলা নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন