সর্বশেষ

সারাদেশ

বিনা উদ্ভাবিত ধান-২৫ প্রচারে কৃষক প্রশিক্ষণ ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

আওলাদ রুবেল, ময়মনসিংহ 
আওলাদ রুবেল, ময়মনসিংহ 

বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬ ১২:০১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে বিনা উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল ধানের জাত পরিচিতি, উৎপাদন কলাকৌশল ও শস্যবিন্যাসে অন্তর্ভুক্তকরণ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা এবং মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

একই সঙ্গে বিনা উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল বোরো ধানের জাত বিনা ধান-২৫ এর প্রচার ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার অষ্টধার ইউনিয়নে কৃষক প্রশিক্ষণ ও মাঠ দিবসের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিনার মহাপরিচালক ড. মো. শরিফুল হক ভূঁইয়া। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সালমা আক্তার, বিনা বোর্ড অব ম্যানেজমেন্টের কৃষক প্রতিনিধি এ কে এম আনিসুজ্জামান, বিনার মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. ইব্রাহিম খলিল এবং বিনার এসআরএবির প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মাহবুবুল আলম তরফদার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বলেন, তার বাবা একজন প্রকৃত কৃষক ছিলেন, তাই তিনি কৃষকের সুখ-দুঃখ গভীরভাবে অনুভব করেন। তিনি বলেন, কৃষকের সন্তান হিসেবে তিনি গর্বিত এবং কৃষকদের জীবিকা উন্নয়নে বিনা উদ্ভাবিত বিভিন্ন জাতের ধান দ্রুত কৃষকের মাঝে পৌঁছে দিতে হবে। কৃষকদের প্রণোদনা ও সকল সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়ে বর্তমান সরকারের উদ্যোগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, “কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে”—এই ধারণাকে সামনে রেখে কাজকে আরও গতিশীল করতে হবে।

তিনি বিনা ধান-২৫ সম্পর্কে বলেন, এটি একটি অত্যন্ত ভালো মানের উচ্চফলনশীল ধান, যা রপ্তানিযোগ্য মানসম্পন্ন। এই ধান চাষে কৃষকরা বেশি ফলন ও বেশি লাভ পাবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বিনার কর্মকর্তারা জানান, দেশে চাহিদা অনুযায়ী লম্বা ও চিকন (প্রিমিয়াম কোয়ালিটি) চালের ধান অপ্রতুল হওয়ায় মোটা ও মাঝারি চালবিশিষ্ট ধানের জাত পলিশ করে মিনিকিট পাজাম, নাজিরশাইল, জিরাশাইল ইত্যাদি নামে বাজারজাত করা হয়। এতে প্রতি টন চালে প্রায় ১০ কেজি করে চালের ক্ষতি হয়। পাশাপাশি চালের ভিটামিন বি, প্রোটিন, ফাইবার, জিঙ্ক, আয়রনসহ গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানও নষ্ট হয়ে যায়। অতিরিক্ত পলিশ করা চালের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি হওয়ায় তা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর।

এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগ, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) গবেষণার মাধ্যমে প্রিমিয়াম কোয়ালিটি চালসমৃদ্ধ বিনা ধান-২৫ জাত উদ্ভাবন করেছে। এ ধানের চাল প্রিমিয়াম কোয়ালিটির হওয়ায় আলাদা করে পলিশ করার প্রয়োজন পড়ে না। ফলে পুষ্টিগুণ অটুট থাকে। পাশাপাশি এই জাতটি লম্বা ও চিকন চালের আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানানো হয়।

১৭৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন