কুষ্টিয়ার জগতি সুগার মিল এলাকায় অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার
সোমবার, ১১ মে, ২০২৬ ১:১৭ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার জগতি চিনিকল এলাকার পরিত্যক্ত কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। ঘটনার ছয় দিন পার হলেও নিহত নারীর পরিচয় উদ্ঘাটনে ব্যর্থ রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
গত ৬ মে বুধবার বিকেলে স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে পরিত্যক্ত কোয়ার্টারের পাশ থেকে অর্ধগলিত অবস্থায় ওই নারীর লাশ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের প্রাথমিক প্রতিবেদনে ধারণা করা হয়, প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন আগে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। এরপর ৭ মে বৃহস্পতিবার বিকেলে মরদেহটি বেওয়ারিশ হিসেবে কুষ্টিয়া পৌর গোরস্থানে দাফন করা হয়।
এ ঘটনায় ৮ মে কুষ্টিয়া মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে (মামলা নং ১৮, তারিখ: ০৮/০৫/২০২৬)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারকৃত মরদেহের গলায় ফাঁসের চিহ্নসহ একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন পোশাক ও ব্যক্তিগত সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে, যার মধ্যে ছিল বিভিন্ন রঙের কামিজ, ওড়না, স্যান্ডেল, ভ্যানিটি ব্যাগ এবং গহনা। ব্যাগ থেকে একটি মোবাইল নম্বরও পাওয়া যায়, তবে সেটির মাধ্যমে এখনো পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।
কুষ্টিয়া পৌর গোরস্থানের তত্ত্বাবধায়ক জানান, মরদেহটি বিধিমোতাবেক দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আরএমও জানান, অজ্ঞাত মরদেহের ক্ষেত্রে ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণ করা হয়, যা ভবিষ্যতে পরিচয় শনাক্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি (তদন্ত) জানান, ঘটনাটিকে প্রাথমিকভাবে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তার ধারণা, ভুক্তভোগীকে বিয়ের প্রলোভনে ফাঁসিয়ে এনে গণধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ ফেলে দেওয়া হতে পারে। তদন্ত চলছে এবং পরিচয় শনাক্তে কাজ অব্যাহত রয়েছে।
১৪০ বার পড়া হয়েছে