হাইকোর্টের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমিতে ভবন নির্মাণের অভিযোগ
শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬ ১১:১৯ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে চলমান বিরোধে হাইকোর্টের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোরপূর্বক পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবার সংবাদ সম্মেলন করেছে।
শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে মুকসুদপুর উপজেলার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ভুক্তভোগী নিতাই প্রসাদ দাস ও তার স্ত্রী গৌরী রানী দাস। এতে স্থানীয় ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে নিতাই প্রসাদ দাস জানান, ১৯৮০ সালের ২৬ জানুয়ারি রেজিস্ট্রি করা একটি কবলা দলিলের মাধ্যমে তিনি দুলাল দাসের কাছ থেকে মুকসুদপুর পৌরসভার ৬০ নম্বর কমলাপুর মৌজার ৯১৫ নম্বর খতিয়ানের ২১৫৬ দাগের ৫৯ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে ২০১২ সালের ২৫ জুন তার মা ওই জমি তার নামে লিখে দেন। তবে রেকর্ড সংশোধনের সময় ভুলবশত তার বড় ভাই মহেন্দ্র প্রসাদ দাস নিজ নামে নামজারি করেন।
তিনি আরও বলেন, মহেন্দ্র প্রসাদ দাসের মৃত্যুর পর তার ছেলে সুকান্ত দাস ওয়ারিশ হিসেবে ভগ্নিপতি কৃষ্ণ গোপাল বসুকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিয়ে জমি বিক্রির ক্ষমতা প্রদান করেন। পরে ওই পাওয়ার অব অ্যাটর্নির ভিত্তিতে জমি অন্যত্র বিক্রি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে মামলা করলে হাইকোর্ট ২০২৬ সালের ২ মার্চ জমির ওপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। কিন্তু সেই আদেশ অমান্য করে বর্তমানে সেখানে পাকা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে গৌরী রানী দাস অভিযোগ করে বলেন, ২০২৬ সালের ১৩ এপ্রিল রেজিস্ট্রি অফিসের মাধ্যমে পারিবারিক সূত্রে তিনি ওই সম্পত্তির ১০ শতাংশ জমি দান হিসেবে পান। কিন্তু তার জমির পাশের অংশ কৃষ্ণ গোপাল বসু বিক্রি করার পর ক্রেতারা জোরপূর্বক তার জমির ভেতরে প্রবেশ করে ভবন নির্মাণ শুরু করেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে চলমান নির্মাণকাজ বন্ধ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।
১০৯ বার পড়া হয়েছে