সর্বশেষ

সারাদেশ

সালথায় দুই প্রভাবশালীর বিরোধে অশান্তি, ২০টির বেশি বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

আবিদ জামান, ফরিদপুর
আবিদ জামান, ফরিদপুর

সোমবার, ৪ মে, ২০২৬ ৬:৩৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় দুই গ্রাম্য প্রভাবশালীর দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চলমান দ্বন্দ্ব ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। এর জেরে একের পর এক সংঘর্ষ, বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।

উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের বালিয়া গট্টি বাজার, আড়য়াকান্দী ও মিরের গট্টি গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। সর্বশেষ সোমবার (৪ মে) সকালে মিরের গট্টি গ্রামে হামলা চালিয়ে অন্তত ২০টি বসতঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আড়ুয়াকান্দী গ্রামের ইউপি সদস্য নুরু মাতুব্বর এবং বালিয়া গট্টি গ্রামের জাহিদ মাতুব্বরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছে। এলাকায় তারা উভয়েই প্রভাবশালী মাদবর হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর তাদের অবস্থান ও প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এরপর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে অন্তত ১০টির বেশি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শতাধিক বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কয়েকটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।

রোববার (৩ মে) দুপুরে নুরু মাতুব্বরের সমর্থক আনোয়ার শেখকে মারধরের অভিযোগ ওঠে জাহিদ মাতুব্বরের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় পরদিন জাহিদ পক্ষের রেজাউল নামের এক ব্যক্তিকে মারধর করা হয়। পরে সোমবার সকালে নুরু মাতুব্বরের ছেলে রাজিব মাতুব্বর হামলায় আহত হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে এলাকার সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেকেই দাবি করেন, সংঘর্ষের পর চাঁদাবাজির ঘটনাও ঘটে থাকে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

অন্যদিকে নুরু মাতুব্বর দাবি করেন, তার পক্ষের ১০-১২ জন সমর্থক গুরুতর আহত হয়েছেন এবং ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না। তবে জাহিদ মাতুব্বর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি বর্তমানে অসুস্থ এবং কোনো রাজনৈতিক বা বিরোধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত নন।

সালথা থানার ওসি মো. বাবলুর রহমান খান জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. দবির উদ্দীন বলেন, সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় দুই গ্রাম্য প্রভাবশালীর দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চলমান দ্বন্দ্ব ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। এর জেরে একের পর এক সংঘর্ষ, বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।

উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের বালিয়া গট্টি বাজার, আড়য়াকান্দী ও মিরের গট্টি গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। সর্বশেষ সোমবার (৪ মে) সকালে মিরের গট্টি গ্রামে হামলা চালিয়ে অন্তত ২০টি বসতঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আড়ুয়াকান্দী গ্রামের ইউপি সদস্য নুরু মাতুব্বর এবং বালিয়া গট্টি গ্রামের জাহিদ মাতুব্বরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছে। এলাকায় তারা উভয়েই প্রভাবশালী মাদবর হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর তাদের অবস্থান ও প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এরপর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে অন্তত ১০টির বেশি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শতাধিক বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কয়েকটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।

রোববার (৩ মে) দুপুরে নুরু মাতুব্বরের সমর্থক আনোয়ার শেখকে মারধরের অভিযোগ ওঠে জাহিদ মাতুব্বরের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় পরদিন জাহিদ পক্ষের রেজাউল নামের এক ব্যক্তিকে মারধর করা হয়। পরে সোমবার সকালে নুরু মাতুব্বরের ছেলে রাজিব মাতুব্বর হামলায় আহত হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে এলাকার সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেকেই দাবি করেন, সংঘর্ষের পর চাঁদাবাজির ঘটনাও ঘটে থাকে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

অন্যদিকে নুরু মাতুব্বর দাবি করেন, তার পক্ষের ১০-১২ জন সমর্থক গুরুতর আহত হয়েছেন এবং ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না। তবে জাহিদ মাতুব্বর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি বর্তমানে অসুস্থ এবং কোনো রাজনৈতিক বা বিরোধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত নন।

সালথা থানার ওসি মো. বাবলুর রহমান খান জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. দবির উদ্দীন বলেন, সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

১২৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন