সর্বশেষ

সারাদেশ

আশুলিয়ায় জ্বালানি সংকটে স্থবির মোটরসাইকেল গ্যারেজ ব্যবসা

আবির ইসলাম, সাভার
আবির ইসলাম, সাভার

রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ৯:০১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
সারাদেশের মতো আশুলিয়াতেও জ্বালানি সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। বিভিন্ন পাম্পে অকটেন বিক্রি হলেও তা নিয়মিত নয়; কোনো কোনো পাম্পে ২ থেকে ৪ দিন পরপর অকটেন সরবরাহ করা হচ্ছে।

ফলে অকটেনচালিত যানবাহনের চাপ পাম্পগুলোতে ক্রমাগত বাড়ছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের ভিড় সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে অনেকেই জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মোটরসাইকেল ব্যবহার থেকে বিরত থাকছেন। পাশাপাশি জ্বালানি সংগ্রহের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতেও অনীহা দেখা যাচ্ছে। এর ফলে মোটরসাইকেলের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে সংশ্লিষ্ট গ্যারেজ ব্যবসায়।

গ্যারেজগুলোতে দেখা দিয়েছে মন্দাভাব। অনেক মালিককে গ্যারেজ ভাড়া ও কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন এ অবস্থা চলতে থাকলে অনেকেই ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হবেন বলে আশঙ্কা করছেন গ্যারেজ মালিকরা।

সরেজমিনে আশুলিয়ার বিভিন্ন মোটরসাইকেল গ্যারেজ ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ গ্যারেজ প্রায় ফাঁকা পড়ে আছে। টেকনিশিয়ানরা অলস সময় কাটাচ্ছেন। মাঝে মধ্যে দু-একটি মোটরসাইকেল সার্ভিসিংয়ের জন্য এলেও আগের তুলনায় তা একেবারেই নগণ্য।

মোটরসাইকেল সার্ভিস সেন্টার ‘আবির এন্টারপ্রাইজ’-এর মালিক আমিনুল আবির জানান, রোজার শেষ দিকে জ্বালানি সংকট শুরু হওয়ার পর থেকেই গ্যারেজে কাজ কমতে থাকে। বর্তমানে কাজের পরিমাণ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।

তিনি আরও বলেন, পাম্প থেকে অকটেন সংগ্রহ করা এখন অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে যারা একান্ত প্রয়োজনেই মোটরসাইকেল ব্যবহার করেন, কেবল তারাই এখন রাস্তায় বের হচ্ছেন। অধিকাংশ মানুষ ব্যবহার কমিয়ে দেওয়ায় গ্যারেজগুলোতে কাজের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

উল্লেখ্য, আশুলিয়ায় ছোট-বড় মিলিয়ে অন্তত ৫০০টি মোটরসাইকেল গ্যারেজ রয়েছে। এসব গ্যারেজের মাধ্যমে কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

১৩৬ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন