সর্বশেষ

সারাদেশ

কুষ্টিয়ার শামীম হত্যা : এজাহারভুক্ত আসামিরা প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার হয়নি কেউই

মোঃ আতিয়ার রহমান, দৌলতপুর (কুষ্টিয়া)
মোঃ আতিয়ার রহমান, দৌলতপুর (কুষ্টিয়া)

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ৩:৫২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় দরবার প্রধান আব্দুর রহমান শামীম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার ছয় দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ, ফলে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও প্রায় ২০০ অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। নামীয় আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ফিলিপনগর গ্রামের সাবেক জেলা শিবির সভাপতি খাজা আহম্মেদ, হোসেনাবাদ বিশ্বাসপাড়া এলাকার উপজেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান, পশ্চিম ফিলিপনগর গ্রামের জামায়াত কর্মী রাজিব মিস্ত্রি এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষক মো. শিহাব।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মামলায় নাম থাকা একাধিক ব্যক্তি এখনো এলাকায় স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছেন। কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সক্রিয় রয়েছেন বলে জানা গেছে। অভিযুক্ত ‘হুকুমদাতা’ হিসেবে উল্লেখ থাকা খাজা আহম্মেদ সম্প্রতি তার ফেসবুক আইডি থেকে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় আসামি মো. আসাদুজ্জামান আসাদকে স্থানীয়রা মসজিদে নামাজে ইমামতি করতে এবং হোসেনাবাদ বাজার এলাকায় মোটরসাইকেলে চলাচল করতে দেখেছেন বলে দাবি করেছেন। এতে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মামলার আসামি হয়েও তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, যা আমাদের জন্য আতঙ্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ বিষয়ে ভেড়ামারা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে ভিডিও ফুটেজ ও তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রায় ২৫ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান রয়েছে।

তিনি আরও জানান, আসামিদের প্রকাশ্যে ঘোরাফেরার বিষয়টি পুলিশের নজরে আছে এবং যেকোনো সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

উল্লেখ্য, একটি পুরোনো ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ওঠার পর গত শনিবার (১১ এপ্রিল) দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর এলাকায় আব্দুর রহমান শামীমের দরবারে হামলা চালানো হয়। এ সময় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের পর দরবার প্রধানকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।
 

১৮৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন