মাজারের দিঘিতে কুমিরের হামলায় নিহত কুকুরটি জলাতঙ্কে আক্রান্ত ছিল
বৃহস্পতিবার , ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ৩:৪৯ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.) মাজারসংলগ্ন দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে মারা যাওয়া কুকুরটি জলাতঙ্কে আক্রান্ত ছিল বলে নিশ্চিত করেছে তদন্ত কমিটি। একই সঙ্গে কুকুরটির কামড়ে আক্রান্ত ব্যক্তিরা জলাতঙ্কে সংক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসন গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। তদন্তে জানা গেছে, কুকুরটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে কুমিরের মুখে দেওয়া হয়েছে—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, কুকুরটি দুর্ঘটনাবশত দিঘিতে পড়ে গেলে সেখানে থাকা কুমির সেটিকে আক্রমণ করে।
ঘটনাটি ঘটে গত ৮ এপ্রিল বিকেলে, যখন মাজারের প্রধান ঘাটের কাছে একটি কুকুরকে দিঘির কুমির ‘ধলা পাহাড়’ টেনে নিয়ে যায়। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়।
পরে ১১ এপ্রিল কুকুরটির ময়নাতদন্ত করা হয় এবং নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। পরীক্ষার ফলাফলে নিশ্চিত হওয়া যায়, কুকুরটি জলাতঙ্কে আক্রান্ত ছিল। জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কুকুরটির কামড়ে যারা আহত হয়েছেন তারা ঝুঁকিতে থাকলেও অধিকাংশই ইতোমধ্যে ভ্যাকসিন নিয়েছেন।
তদন্ত কমিটির প্রধান ও বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিয়া খাতুন জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি বলেন, “এটি পরিকল্পিত কোনো ঘটনা নয়, বরং দুর্ঘটনাবশত ঘটেছে।”
জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনও একই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত ও ময়নাতদন্তের ভিত্তিতে কুকুরটির জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে এবং এ ঘটনায় কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রের প্রমাণ মেলেনি।
মাজারের দিঘিতে কুমিরের হামলায় নিহত কুকুরটি জলাতঙ্কে আক্রান্ত ছিল
বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.) মাজারসংলগ্ন দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে মারা যাওয়া কুকুরটি জলাতঙ্কে আক্রান্ত ছিল বলে নিশ্চিত করেছে তদন্ত কমিটি। একই সঙ্গে কুকুরটির কামড়ে আক্রান্ত ব্যক্তিরা জলাতঙ্কে সংক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসন গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। তদন্তে জানা গেছে, কুকুরটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে কুমিরের মুখে দেওয়া হয়েছে—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, কুকুরটি দুর্ঘটনাবশত দিঘিতে পড়ে গেলে সেখানে থাকা কুমির সেটিকে আক্রমণ করে।
ঘটনাটি ঘটে গত ৮ এপ্রিল বিকেলে, যখন মাজারের প্রধান ঘাটের কাছে একটি কুকুরকে দিঘির কুমির ‘ধলা পাহাড়’ টেনে নিয়ে যায়। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়।
পরে ১১ এপ্রিল কুকুরটির ময়নাতদন্ত করা হয় এবং নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। পরীক্ষার ফলাফলে নিশ্চিত হওয়া যায়, কুকুরটি জলাতঙ্কে আক্রান্ত ছিল। জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কুকুরটির কামড়ে যারা আহত হয়েছেন তারা ঝুঁকিতে থাকলেও অধিকাংশই ইতোমধ্যে ভ্যাকসিন নিয়েছেন।
তদন্ত কমিটির প্রধান ও বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিয়া খাতুন জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি বলেন, “এটি পরিকল্পিত কোনো ঘটনা নয়, বরং দুর্ঘটনাবশত ঘটেছে।”
জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনও একই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত ও ময়নাতদন্তের ভিত্তিতে কুকুরটির জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে এবং এ ঘটনায় কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রের প্রমাণ মেলেনি।
১২২ বার পড়া হয়েছে