সর্বশেষ

সারাদেশ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ হল ও ১ স্কুলের নামফলক ভেঙে নতুন নামকরণ বিক্ষুব্ধদের

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫ ৫:০৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি আবাসিক হল এবং একটি স্কুলের নামফলক ভেঙে নতুন নামকরণ করেছে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। গতকাল বুধবার রাতে, শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সব নামফলক, গ্রাফিতি ও দেয়াললিখন মুছে ফেলার উদ্দেশ্যে তারা এই কর্মসূচি পরিচালনা করেছিল।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের নতুন নাম দিয়েছেন ‘বিজয়-২৪ হল’, নির্মাণাধীন শহীদ এইচ এম কামারুজ্জামান হলের পরিবর্তে ‘শহীদ আলী রায়হান হল’, শেখ হাসিনা হলের পরিবর্তে ‘ফাতিমা আল-ফাহরিয়া হল’ এবং শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলের পরিবর্তে ‘নবাব ফয়জুন নেসা চৌধুরানী’ নামকরণ করেছেন। এছাড়া শেখ রাসেল মডেল স্কুলকে ‘রিয়া গোপ মডেল স্কুল’ নাম দেওয়া হয়েছে।

বিক্ষোভের স্থানে রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা চত্বর থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল শুরু করেন। তারা ‘স্বৈরাচারের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘মুজিববাদের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ‘ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে, আগুন জ্বালো একসাথে’ স্লোগান দিতে থাকেন।

রাত ৯টা ২০ মিনিটে বিক্ষুব্দ শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনে এসে হলটির নামফলক ও উদ্বোধনী ফলক ধ্বংস করেন। এরপর তারা নতুন নাম ‘বিজয় ২৪’ ঘোষণা করে দেওয়ালে লেখা শুরু করেন। তারা পরবর্তীতেও নির্মাণাধীন এইচ এম কামারুজ্জামান হল, শেখ হাসিনা হল, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হল এবং শেখ রাসেল মডেল স্কুলের নামফলক ভেঙে দেন।

এদিকে, রাত সাড়ে ১০টায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলের নামফলক পরিবর্তনের সময় হলের ভেতর থেকে কিছু ছাত্রীরা স্বতঃস্ফূর্ত স্লোগান দিতে শুরু করেন এবং সেইসঙ্গে বাহিরের শিক্ষার্থীদের দিকে স্যান্ডেল ও ইট নিক্ষেপ করেন। উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে হলের ভেতরের ছাত্রীরা নাম ফলকের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন এবং এটি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

হলের ভেতর থেকে কিছু আবাসিক শিক্ষার্থী সাংবাদিকদের জানান, ‘‘আমাদের হলের নাম পরিবর্তন করার অধিকার আমাদের আছে, কিন্তু বাইরের শিক্ষার্থীরা কেন এটি করতে চাইবে? এটি স্পষ্ট যে পরিকল্পনা করে আসা হয়েছে এবং আমাদের এ বিষয়ে আগেই কিছু জানানো হয়নি।’’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের অংশ হিসেবে এই নাম পরিবর্তন ঘটেছে। তবে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নাম পরিবর্তনের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি এবং যদি নাম পরিবর্তন করা হয়, তাহলে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট ও অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করে করা হবে।

২৯৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন