নেতৃত্বের প্রস্তুতিই জনসম্পৃক্ত রাজনীতির প্রথম শর্ত
শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ ৭:১৭ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সচেতন নাগরিক, নৈতিক নেতৃত্ব ও ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক শক্তির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন ফারূক মাহমূদ। তিনি বলেছেন, নেতৃত্ব তৈরি না করে জনসম্পৃক্ত রাজনীতির স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যেই সংগঠকদের মধ্যে আদর্শিক দৃঢ়তা, চিন্তার শুদ্ধতা ও পারস্পরিক আস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব কেবল সীমান্ত দিয়ে রক্ষিত হয় না।সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত হয় সচেতন নাগরিক, নৈতিক নেতৃত্ব ও ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক শক্তির মধ্য দিয়ে।
তাই পাবলিক পাটাতনের আজকের আয়োজন নিছক সাংগঠনিক বৈঠক নয়। এটি ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রচিন্তার নেতৃত্ব নির্মাণের প্রস্তুতি।
এখন আমরা জনগণের কাছে না গিয়ে, নিজেদের সংগঠকদের কাছে ফিরছি। কারণ নেতৃত্ব তৈরি না করে জনসম্পৃক্ত রাজনীতির স্বপ্ন বাস্তবায়ন অসম্ভব।
তাই প্রতি সপ্তাহের ছোট ছোট বৈঠক, আসন্ন কর্মশালা; সবই হোক চিন্তার শুদ্ধতা, আদর্শিক দৃঢ়তা ও পারস্পরিক আস্থার অনুশীলন।
আমরা ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর আধিপত্য নয়, জনগণের মর্যাদা ও বাংলাদেশের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
আমাদের মনে রাখতে হচ্ছে, পতাকা হাতে নেওয়া দেশপ্রেমের প্রকাশ হলেও দেশকে সুরক্ষিত রাখার যোগ্য নেতৃত্ব তৈরি করাই দেশপ্রেমের শ্রেষ্ঠ দায়বদ্ধতা।
তাই পাবলিক পাটাতন কেবল একটি সাংগঠনিক পরিচয় নয়। বরং দেশপ্রেম, নৈতিক নেতৃত্ব, নাগরিক মর্যাদা ও সার্বভৌম রাষ্ট্রচিন্তার একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা রইল।
১২৫ বার পড়া হয়েছে