সর্বশেষ

মতামত

শ্রমিক অসন্তোষের আগুনে রাষ্ট্র যেন দিশা না হারায়

ফারূক মাহমূদ
ফারূক মাহমূদ

শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬ ১০:৫২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
শ্রমিক অসন্তোষ, গার্মেন্টস খাতের মজুরি দাবি, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, মূল্যস্ফীতি এবং বেতন বৈষম্য—সব মিলিয়ে জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি রাষ্ট্র। এ অবস্থায় দমননীতি নয়, বরং সংলাপ, মানবিক বিকল্প, ন্যায়বিচার ও জনআস্থাকে গুরুত্ব দিয়ে সংকট মোকাবিলার আহ্বান জানিয়েছেন ফারূক মাহমূদ।

রাষ্ট্র পরিচালনায় পূর্ববর্তী সরকার কর্তৃক সিদ্ধান্তের অভিঘাত কখনো কখনো পরবর্তী সরকারের জন্য বহুমাত্রিক সংকটের জন্ম দিতে পারে।

২০২৫ সালে অন্তরবর্তী সরকার কর্তৃক সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ এবং শ্রমিকদের জন্য তিন বছর অন্তর বেতন বৃদ্ধি করার প্রস্তাবিত বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্তের জন্য আজকের এই শ্রমিক আন্দোলন।

একদিকে গ্যাসের সঙ্কট, বিদ্যুত ঘাটতি, মূল্যস্ফীতি, রাজস্বের চাপ ও বেতন বৈষম্য। অন্যদিকে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির আকাঙ্ক্ষা; সব মিলিয়ে ভজকট পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

এদিকে ঢাকার ফুটপাত দখলমুক্তকরণ ও বিপজ্জনক অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে সরকারের উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর জীবিকার প্রশ্ন উপেক্ষণীয় নয়। এর সঙ্গে
পলাতক রাজনৈতিক শক্তির মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীলতার অপচেষ্টা যুক্ত হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

অতএব, শ্রমিকদের মজুরি হোক আর সংস্কারেই হোক; সবখানেই চাই মানবিক বিকল্প, সংলাপ ও ন্যায়সংগত সমাধান।

যদিও উসকানি দমনে কঠোরতা লাগে। কিন্তু নাগরিক অধিকারে সংযমও প্রয়োজন। সত্যিকার অর্থেই কঠোরতা আর সংযমের ভারসাম্যই রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রজ্ঞার পরীক্ষা। তাই রাষ্ট্রের শক্তি দমননীতির মধ্যে আটকে না ফেলে ন্যায়বিচার ও জনআস্থার বিষয়টিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।

আর রেমিটেন্স আহরণের বৃহত্তম খাতের এই সংকট মুহূর্তে প্রজ্ঞা, সংযম ও দূরদর্শীতার মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হবে।

১২২ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
মতামত নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০