সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

ইরানে হামলা চালাতে ১০ মিনিট লাগবে: ট্রাম্প

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬ ৬:৪৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও এক বা দুটি স্থাপনায় হামলা চালানোর প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, এসব লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে মাত্র ১০ মিনিট সময় লাগবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে নতুন করে হামলা চালানোর বিষয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সতর্কবার্তার পর ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) ফ্লোরিডায় নিজের বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস করা হয়েছে। তবে এখনো কিছু লক্ষ্যবস্তুতে ব্যবস্থা নেওয়া বাকি রয়েছে।

সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের পারমাণবিক ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছি। আমাদের এখনো একটি বা দুটি স্থানে ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে আমরা তা ১০ মিনিটের মধ্যেই করতে পারি।’

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনি হয়তো পিকঅ্যাক্স পর্বতের দিকে তাকাতে পারেন এবং সেটির বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা এগুলোর সবই খুব দ্রুত করতে পারি।’

চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ইরানে হামলা চালানো হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আপনি কেন এমন বোকামি প্রশ্ন করছেন? ধরুন, আমি যদি করিও—তবে কি আমি আপনাকে বলব?’ একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে আলোচনা ঠিকঠাক চলছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তবে তেহরানকে নির্ভরযোগ্য নয় বলেও উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের আগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠকে যেকোনো হুমকির তাৎক্ষণিক জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেন। তাঁর বিবৃতিতে বলা হয়, যেকোনো ধরনের ও পর্যায়ের হুমকির বিরুদ্ধে দ্রুত, কার্যকর ও ভৌগোলিকভাবে সীমাহীন প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে।

এ ছাড়া সামরিক কমান্ডারদের ‘আমেরিকান-জায়োনিস্ট শত্রুর সমস্ত দৃশ্যমান ও অদৃশ্য সম্পদ’ অন্তর্ভুক্ত করে লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হালনাগাদ করার নির্দেশ দেন মোজতবা খামেনি। সামরিক শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর এটিই প্রথম বৈঠক বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ট্রাম্প নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করতে পারেন বলে আলোচনা চলছে। গত সপ্তাহে তিনি সম্ভাব্য আরেকটি ‘ছোট এপিক ফিউরি’ অভিযানের কথা উল্লেখ করেন।

দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে ওয়াশিংটন কয়েকটি উপসাগরীয় আরব দেশকে প্রস্তুত থাকতে বলেছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও শনিবার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে সামরিক লক্ষ্য অর্জন করতে পারে। তবে ট্রাম্প এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানান তিনি। বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জন্য তেহরানকে দায়ী করেন রুবিও।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। এর জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। ১৭ জুন ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ১৪ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছালেও ৮ জুলাই ট্রাম্প চুক্তিটি শেষ বলে ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে মঙ্গলবারের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ার পরও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের শাসনব্যবস্থা উৎখাতের প্রতিশ্রুতি অব্যাহত রেখেছেন।

১১০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০