কোলে নবজাতক নিয়ে পায়ের অ্যাংলেটে করে ইয়াবা পাচার, গ্রেপ্তার দম্পতি
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ২:৩৩ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
কোলে ৪৫ দিনের নবজাতককে নিয়ে বাসে যাতায়াতের সময় পায়ের অ্যাংলেটের ভেতরে লুকিয়ে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে বগুড়ায় স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। তাঁদের কাছ থেকে ৭ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার স্বামীর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
কোলে ৪৫ দিনের নবজাতক। আর দুই পায়ের হাঁটুর নিচে অ্যাংলেটের সঙ্গে বিশেষ কৌশলে আটকানো ইয়াবার প্যাকেট। এভাবে ইয়াবা বহনের সময় বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। গ্রেপ্তার দুজনের বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায়।
রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল জামালপুর এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পাশে এ অভিযান চালানো হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বগুড়া জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহা. জিললুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঢাকা থেকে বগুড়াগামী আর কে ট্রাভেলসের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালানো হয়। পরে বাসের ওই দুই যাত্রীর দেহ তল্লাশি করে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার সারমিন খানমের (২৫) দুই পায়ের হাঁটুর নিচে অ্যাংলেটের সঙ্গে কালো স্কচ টেপ দিয়ে বিশেষ কৌশলে ইয়াবার প্যাকেট আটকানো ছিল। তাঁর ডান পায়ের অ্যাংলেট থেকে ২০টি প্যাকেটে ৪ হাজার পিস এবং বাঁ পায়ের অ্যাংলেট থেকে ১৯টি প্যাকেটে ৩ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে উদ্ধার করা ইয়াবার সংখ্যা ৭ হাজার ৮০০ পিস, যার মোট ওজন ৭৮০ গ্রাম।
গ্রেপ্তার সোহাগ মৃধার (৩১) স্থায়ী বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বানা ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামে। তাঁর স্ত্রী সারমিন খানমের বাড়ি একই উপজেলার পাচুড়িয়া ইউনিয়নের দোগাছী গ্রামে। তাঁরা বর্তমানে ঢাকার মিরপুর-১ এলাকার মধ্য পাইকপাড়া আহম্মদ নগরে বসবাস করতেন।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ৯(গ), ৪১ ও ২৬(১) ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
১১২ বার পড়া হয়েছে