সর্বশেষ

সারাদেশ

বোয়ালমারী হাসপাতালে চুরি, অ্যাম্বুলেন্স চালকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

আবিদ জামান, ফরিদপুর
আবিদ জামান, ফরিদপুর

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১:২৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি অব্যবহৃত কক্ষের তালা ভেঙে ১৫টি সিলিং ফ্যান, লোহার পাইপ ও অ্যাঙ্গেল চুরির ঘটনায় মো. মান্না শেখ নামে এক ব্যক্তিকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মান্না শেখ বোয়ালমারী পৌর সদরের বাসিন্দা মো. রিজাউল শেখের ছেলে। তিনি পেশায় একজন বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সচালক।

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি অব্যবহৃত কক্ষ থেকে সিলিং ফ্যানসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম চুরির ঘটনায় মো. মান্না শেখ নামে এক ব্যক্তিকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার বিকেলে তাঁকে ফরিদপুরের ৩ নম্বর আমলি আদালতে পাঠানো হলে আদালত এ রায় দেন। একই সঙ্গে তাঁকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ভোর চারটার দিকে হাসপাতালের পাঁচতলা ভবনের নিচতলায় অবস্থিত একটি কক্ষের তালা ভেঙে ১৫টি সিলিং ফ্যান, লোহার পাইপ ও অ্যাঙ্গেল চুরি করেন মান্না শেখ। পরদিন শনিবার সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানতে পারে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ভবনের পেছনে অবস্থিত অব্যবহৃত ক্যানটিন কক্ষের তালা ভেঙে এসব মালামাল নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালটিতে কোনো নৈশপ্রহরী না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে চুরির ঘটনা শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে একজনকে মালামাল নিয়ে বের হতে দেখা যায়।

এ ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে চুরির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মান্না শেখকে শনাক্ত করা হয়।

পুলিশ জানায়, চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর মান্না শেখ আত্মগোপনে চলে যান। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থান থেকে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে চুরির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্তের পর গ্রেপ্তার করা হয়। চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করে তাঁকে ফরিদপুরের ৩ নম্বর আমলি আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাঁকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এর আগেও বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতাল এলাকায় অবস্থানকারী বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সচালকদের কেউ কেউ এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন বলেও তাঁদের দাবি। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। 

১৩৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০