সর্বশেষ

জাতীয়

পুরান ঢাকায় আগুনে ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে ফায়ার সার্ভিসের দুই কর্মী অসুস্থ 

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ৩:১৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
পুরান ঢাকায় একটি বহুতল ভবনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট কাজ করছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। রাত পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হচ্ছিল ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাধারণ মানুষের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টের কারণে ফায়ার সার্ভিসের দুই কর্মী আহত হয়েছেন।

পুরান ঢাকার একটি বহুতল ভবনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট কাজ করছে। ভবনটিতে কসমেটিকস ও ব্যাগের গোডাউন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। গোডাউনগুলোতে বিপুল পরিমাণ দাহ্য পণ্য থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হচ্ছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) দিবাগত রাত একটার দিকে ঘটনাস্থলে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহমুদুল হাসান।

ফায়ার সার্ভিসের ১০টি মূল ইউনিটের পাশাপাশি স্পেশাল রেসপন্স টিম ও লাইটিং ইউনিটসহ মোট ১২টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে নিয়োজিত রয়েছে। এ ছাড়া প্রায় ১৫০ জন প্রশিক্ষিত ফায়ার সার্ভিস কর্মী সরাসরি কাজ করছেন। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক ও বাসিন্দারাও উদ্ধার ও আগুন নেভানোর কাজে সহায়তা করছেন। সব মিলিয়ে ঘটনাস্থলে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ জন কাজ করছেন বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেল ৫টার দিকে ভবনটিতে আগুন লাগে। বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষে খবর পৌঁছায়। এরপর প্রথম ইউনিট বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পরে আরও ইউনিট যুক্ত করা হয়।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের ধারণা, ভবনের একটি কসমেটিকস ও ব্যাগের গোডাউন থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। পরে আগুন ভবনের বিভিন্ন অংশে থাকা গোডাউন ও অন্যান্য কক্ষে ছড়িয়ে পড়ে।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহমুদুল হাসান বলেন, পুরান ঢাকার সরু রাস্তা ও অলিগলির কারণে অগ্নিনির্বাপণের ভারী এবং বিশেষায়িত গাড়ি সরাসরি ভবনের কাছে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ ছাড়া ভবনের অভ্যন্তরীণ নকশার জটিলতা এবং গোডাউনগুলোতে বিপুল পরিমাণ দাহ্য পণ্য থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সমস্যা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে দীর্ঘ পাইপ ব্যবহার করে সীমিত পরিসরে পানি সরবরাহের মাধ্যমে আগুন নেভানোর চেষ্টা চলছে।

তিনি জানান, এক ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে বলে ধারণা করা হলেও গোডাউনগুলোতে থাকা বিপুল পরিমাণ পণ্যের কারণে নির্দিষ্ট সময় বলা যাচ্ছে না।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো সাধারণ নাগরিকের হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে আগুন নেভানোর সময় ভবনের ভেতরে প্রবেশ করে কাজ করতে গিয়ে তীব্র ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টের কারণে ফায়ার সার্ভিসের দুই কর্মী আহত হন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভবনটির ষষ্ঠ তলায় মজুত থাকা সব মালামাল পুড়ে গেছে। পঞ্চম তলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তুলনামূলক কম বলে জানা গেছে। তবে দোকান ও গোডাউনগুলো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় আগুনে মোট আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

১৭৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০