সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

সৌদি আরবে তুরস্ক–পাকিস্তানের দ্রুত সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১:৫০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলার মুখে সৌদি আরবের নিরাপত্তা জোরদারে দ্রুত সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। নতুন ত্রিদেশীয় পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের মাটিতে প্রয়োজনীয় সামরিক বাহিনী ও সক্ষমতা দ্রুত মোতায়েন করা হবে বলে সোমবার (৫ অক্টোবর) তিন দেশ যৌথভাবে জানিয়েছে।

সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির মধ্যে দেশটির পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি ভূখণ্ডে দ্রুত সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে গত আগস্টে তিন দেশ ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নামে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তির মূল বিষয় হলো, তিন দেশের যেকোনো একটি আক্রান্ত হলে অন্য দুই দেশ তার প্রতিরক্ষায় সহায়তায় এগিয়ে আসবে।

সামরিক ও কৌশলগত দিক থেকে চুক্তিটিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, এর মাধ্যমে ন্যাটোর অন্যতম শক্তিশালী সামরিক শক্তি তুরস্ক, পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তান এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরব পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার কাঠামোয় যুক্ত হয়েছে।

সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতির পর সোমবার রিয়াদে তিন দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিদের নিয়ে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সৌদি ভূখণ্ডে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানানো হয়। বিশেষ করে পবিত্র মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্য করে হামলার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় আসে।

বৈঠকের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি। তবে সৌদি আরবের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার ওপর যেকোনো ধরনের হুমকি বা হামলা প্রত্যাখ্যান করেছে তিন দেশ।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে তিন দেশ একমত হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সামরিক বাহিনী ও প্রয়োজনীয় সক্ষমতা সৌদি আরবে দ্রুত মোতায়েনের ব্যবস্থা করা হবে।

তবে সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর তুরস্ক ও পাকিস্তানের সেনারা কী ধরনের নির্দিষ্ট সামরিক দায়িত্ব পালন করবে, যৌথ বিবৃতিতে তা বিস্তারিত জানানো হয়নি।

চলতি বছরের জুলাই থেকে ইয়েমেনের সংঘাত নতুন করে তীব্র হওয়ার পর সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর, তেল অবকাঠামো ও পণ্যবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বরে হুতিদের বড় ধরনের অভিযানে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হারায়। এরপর হারানো ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারে সৌদি আরবের বিমান সহায়তায় সোমবার থেকে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী বড় ধরনের পাল্টা অভিযান শুরু করেছে।

এই অভিযানের আওতায় এমন কিছু এলাকাও রয়েছে, যেগুলো এক দশকের বেশি সময় ধরে হুতি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে ছিল।

১১১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০