সর্বশেষ

জাতীয়

অক্টোবর থেকে রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের ইউরেনিয়াম সরবরাহ শুরু

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৩:২১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম সরবরাহ আগামী অক্টোবর থেকে শুরু হবে বলে জানিয়েছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রসাটম। রুশ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ কয়েকটি ফ্লাইটে এই জ্বালানি সরবরাহ সম্পন্ন হবে।

পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য নির্ধারিত ইউরেনিয়ামের একটি চালান রাশিয়া থেকে বাংলাদেশে আসতে পারেনি। এর মধ্যেই সোমবার দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহের নতুন সময়সূচি জানাল রসাটম।

এক বিবৃতিতে রসাটম জানিয়েছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ অক্টোবর মাসে শুরু হবে এবং ডিসেম্বর পর্যন্ত তা চলবে। ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ সরবরাহ কার্যক্রম শেষ করার কথা রয়েছে।

এর আগে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন থাকার পরও পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় রাশিয়া থেকে রূপপুরের পারমাণবিক জ্বালানিবাহী বিমান বাংলাদেশে আসতে পারেনি। বাংলাদেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটে রিফুয়েলিংয়ের জন্য ২৪ সেপ্টেম্বর ইউরেনিয়ামের একটি চালান আসার কথা ছিল।

চালানটি না আসার বিষয়ে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক কবির হোসেন বলেন, প্রথম ইউনিটের জ্বালানি ইতিমধ্যে লোড করা হয়েছে। এক বছর পর প্রথম ইউনিটের জ্বালানি পরিবর্তন করতে হবে। এ জন্য দুইটি ফ্লাইটে ৪৮টি অ্যাসেম্বলড আসার কথা ছিল। এর একটি ফ্লাইট ২৪ সেপ্টেম্বর এবং অন্যটি ১ অক্টোবর আসার কথা ছিল।

দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহের সূচি সম্পর্কে কবির হোসেন বলেন, ৮ অক্টোবর থেকে প্রতি সপ্তাহে একটি করে মোট সাতটি ফ্লাইটে দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম লোডের জ্বালানি আসার কথা ছিল। ২০২৩ সালে প্রথম ইউনিটের জ্বালানি যেভাবে আনা হয়েছিল, একইভাবে দ্বিতীয় ইউনিটের পুরো জ্বালানি সাতটি ফ্লাইটে আনার পরিকল্পনা ছিল।

প্রকল্প পরিচালক জানান, সাধারণত কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ভারতের আকাশসীমা ব্যবহার করে ইউরেনিয়াম বাংলাদেশে আনা হয়।

ইউরেনিয়াম গ্রহণ এবং রূপপুরে পরিবহনের প্রস্তুতি সম্পর্কে কবির হোসেন বলেন, ২৩ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে রসাটম থেকে জানানো হয়, ফ্লাইটটি স্থগিত করা হয়েছে। যেসব দেশের আকাশসীমা ব্যবহার করে জ্বালানি আনার কথা, সেসব দেশের অনুমোদন পাওয়া যায়নি। বিষয়টি কূটনৈতিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছিল।

পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর সকালে যোগাযোগ করা হলেও রসাটম জানায়, কূটনৈতিক মাধ্যমে অনুমোদন পাওয়ার চেষ্টা চলছে। পরে ওই দিন রাতে জানানো হয়, নির্ধারিত রুটের অনুমোদন পাওয়া যায়নি। ফলে ফ্লাইটটি স্থগিত করা হয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে নতুন সময়সূচি জানানো হবে।

এরপর নতুন সময়সূচি অনুযায়ী ১ অক্টোবর থেকে ফ্লাইট শুরু হওয়ার কথা জানানো হয়। অর্থাৎ জ্বালানি সরবরাহের সময়সূচি এক সপ্তাহ পিছিয়ে যায়।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে পিছিয়ে যাওয়া চালানটি রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য আসার কথা বলা হয়েছিল। তবে রসাটমের বিবৃতিতে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় জ্বালানির ওই চালান আসতে না পারার বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহ প্রসঙ্গে রসাটম জানিয়েছে, চুক্তির শর্ত এবং প্রকল্পের নির্ধারিত সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কয়েকটি ফ্লাইটে পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ করা হবে।

১১১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০