দৌলতপুরে নিজ জমিতে বাড়ি নির্মাণে বাধার অভিযোগ
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:২৫ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের ময়রামপুর গ্রামে নিজ জমিতে বাড়ি নির্মাণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন কামাল হোসেন (৬৯) নামের এক বৃদ্ধ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে কামাল হোসেন বলেন, তাঁর নিজ নামে থাকা পৈতৃক ও ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করলে একই গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে বিপ্লব হোসেন (৫০) তাতে বাধা দেন। বিপ্লব ওই জমির ওপর দিয়ে চলাচলের রাস্তা রয়েছে বলে দাবি করছেন বলে অভিযোগ করেন কামাল।
কামাল হোসেনের দাবি, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একাধিকবার সালিশ-বৈঠক হয়েছে। এসব বৈঠকে তাঁর জমির কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হয়। সালিশকারীরা বিপ্লব হোসেনের চলাচলের জন্য বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানান। পরে সালিশের সিদ্ধান্ত মেনে বিপ্লব হোসেন স্বাক্ষরও করেন বলে দাবি করেন তিনি।
তবে বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করার পর বিপ্লব হোসেন আবারও সেখানে বাধা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন কামাল হোসেন। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত বিষয়টি নির্ধারণ এবং নিজস্ব সম্পত্তিতে নির্মাণকাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগের আইনগত প্রতিকার দাবি করেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দা মহাব্বত আলী বলেন, বিপ্লব হোসেন অন্যায়ভাবে কামাল হোসেনের সম্পত্তিতে বাড়ি নির্মাণে বাধা দিচ্ছেন। তাঁর চলাচলের জন্য অন্য পাশ দিয়ে রাস্তা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কামালের সম্পত্তির পাশ দিয়ে বিপ্লবকে চলাচল করতে দেখা গেছে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আতার হোসেন বলেন, বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার সালিশ-বৈঠক হয়েছে। বিপ্লব হোসেনের চলাচলের জন্য অন্যদিকে রাস্তার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। সালিশের সিদ্ধান্ত তিনি মেনেও নিয়েছিলেন। এরপর কামাল হোসেন নিজ জমিতে বাড়ি নির্মাণ শুরু করলে বিপ্লব আবার বাধা দিচ্ছেন।
আতার হোসেন আরও বলেন, আগে কামাল হোসেনের জমির একটি অংশ চলাচলের রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করা হতো। তবে বিপ্লবের অন্যদিকে চলাচলের রাস্তা থাকায় সালিশের মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করা হয়েছে। এরপরও নির্মাণকাজে বাধা দেওয়া ঠিক নয়।
কামাল হোসেন ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত বিষয়টি নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
১১৭ বার পড়া হয়েছে