ঢাকায় শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের নিয়ে ‘স্বপ্নসভা’
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৫:০৭ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন নির্মাণ, মানসিক বিকাশ, সুশিক্ষা ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার প্রস্তুতির লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘অভিভাবক সমাবেশ ও স্বপ্নসভা’। স্বপ্নশীলন স্কুলের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষা, সন্তান প্রতিপালন, আত্মবিশ্বাস, প্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎ দক্ষতা নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।
শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘অভিভাবক সমাবেশ ও স্বপ্নসভা’।
১২ সেপ্টেম্বর শনিবার স্বপ্নশীলন স্কুলের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে শিক্ষা, সন্তান প্রতিপালন, আত্মবিশ্বাস, প্রযুক্তি এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. তৌফিক ইমাম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকার সঙ্গীতশিল্পী ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক বিপাশা ইয়াসমীন এবং সাবেক কলেজ শিক্ষক ও সংস্কৃতির খেয়ার পরিচালক সরকার আমিরুল ইসলাম।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের পরিচালক আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকার সাবেক শিক্ষক ও বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমির অতিরিক্ত পরিচালক সাওয়াদ বিন পারভেজ এবং লেখক, প্রশিক্ষক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্মপরিচালক নাজমুল হুদা।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে স্বপ্নশীলন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক এম হাফিজ এবং এশিয়ান টেলিভিশনের অনলাইন নিউজরুম এডিটর হাবিব খান উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, পরিবর্তনশীল বিশ্বে শিক্ষার্থীদের শুধু প্রচলিত শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। তাদের সৃজনশীলতা, চিন্তাশক্তি, আত্মবিশ্বাস, যোগাযোগ দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বিকাশে পরিবার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
তাঁরা বলেন, সন্তানদের ওপর অতিরিক্ত প্রত্যাশার চাপ না দিয়ে তাদের আগ্রহ, প্রতিভা ও স্বপ্নকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। শিশুর নিজস্ব সক্ষমতা ও আগ্রহকে চিহ্নিত করে তাকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করাই অভিভাবক ও শিক্ষকদের অন্যতম দায়িত্ব।
বক্তারা আরও বলেন, একটি শিশুর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে শিক্ষক, অভিভাবক ও সমাজের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। শিশুদের বড় স্বপ্ন দেখার সাহস তৈরি করতে পারলে তারা ভবিষ্যতে যোগ্য, আত্মবিশ্বাসী ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকদের মতে, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আয়োজনটি ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ সৃষ্টি করেছে।
১৩৫ বার পড়া হয়েছে