সর্বশেষ

সারাদেশ

দৃশ্যমান হচ্ছে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প, সুফল পাবে ২৪ জেলার মানুষ

রবিউল ইসলাম হৃদয়, কুষ্টিয়া
রবিউল ইসলাম হৃদয়, কুষ্টিয়া

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৩:৩২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
বহুল প্রতীক্ষিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অবশেষে বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার অনুমোদন পাওয়া এই মেগা প্রকল্পের সুফল পাবেন দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের ২৪ জেলার মানুষ। আগামী বছরের শুরুর দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই যুগান্তকারী প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুরের পদ্মা-গড়াই মোহনা পরিদর্শন শেষে পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ইতিমধ্যে মেগা প্রকল্পের প্রথম ধাপ অনুমোদন পেয়েছে।

মন্ত্রী জানান, প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজের পর দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ১৫ থেকে ১৭ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে কারিগরি সহায়তা ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর এই মেগা প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন বা শুভ উদ্বোধন করবেন।

২০০৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে এই প্রকল্পের প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছিল। দীর্ঘ পথ পেরিয়ে সম্প্রতি এর কারিগরি ও আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতিতে এক অভূতপূর্ব রূপান্তর ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

প্রকল্পের সুফল সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানি ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং শুষ্ক মৌসুমে পানি সংকট দূর করতে এই ব্যারেজ প্রধান ভূমিকা রাখবে। নদীর তীরবর্তী বাঁধ ভাঙন রোধের পাশাপাশি এটি সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং স্থানীয় কৃষি ব্যবস্থাকে সচল রাখতে সাহায্য করবে। দেশের মোট ২৪টি জেলার মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই প্রকল্পের বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করবেন।

অবকাঠামোগত দিক থেকে মূল পদ্মা ব্যারেজের পাশাপাশি পদ্মা ও গড়াই নদীর সংযোগস্থলে একটি নতুন ব্যারেজ (গড়াই অফটেক) নির্মাণ করা হবে। এই প্রকল্পে মাছের নিরাপদ চলাচলের জন্য 'ফিশ পাস', নৌযান চলাচলের সুবিধার্থে 'নেভিগেশন লক' এবং পানি প্রবাহ সচল রাখার জন্য আধুনিক গেট ও আন্ডার স্লুইস স্থাপন করা হবে।

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বন্ধুপ্রতিম দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে দেশের নিজস্ব স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে। এ সময় পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

১১৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০