সর্বশেষ

প্রবাস

মালয়েশিয়ায় কাগজপত্রহীন বাংলাদেশিদের দ্রুত ফেরার নির্দেশনা

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৬:১৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
মালয়েশিয়ায় বৈধ কাজের ভিসা বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই—এমন বাংলাদেশিদের সরকারি সুযোগ কাজে লাগিয়ে দ্রুত দেশে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। দেশটিতে অনিয়মিত অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলার মধ্যে হাইকমিশন এ আহ্বান জানাল।

মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত অনিয়মিত বা বৈধ নথিপত্রহীন বাংলাদেশিদের নিরাপদ ও আইনসম্মতভাবে দেশে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। দেশটির সরকারের চালু করা বিশেষ প্রত্যাবাসন কর্মসূচির সুযোগ নিয়ে গ্রেপ্তার এড়িয়ে দ্রুত দেশে ফেরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ আহ্বান জানানো হয়। ভিডিও বার্তায় কথা বলেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) মো. তরিকুল ইসলাম।

তরিকুল ইসলাম জানান, অনিয়মিত বা কাগজপত্রহীন বিদেশি নাগরিকদের নিজ দেশে ফেরার সুযোগ দিতে মালয়েশিয়া সরকার মাইগ্র্যান্ট রিপ্যাট্রিয়েশন প্রোগ্রাম ২ (বিআরএম ২.০) চালু করেছে। এই কর্মসূচির আওতায় নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অনিয়মিত বিদেশি কর্মীরা আইনসম্মতভাবে দেশে ফিরতে পারবেন।

হাইকমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ কর্মসূচিতে অংশ নিতে প্রথমে বৈধ ও মেয়াদ থাকা বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রয়োজন। যাদের পাসপোর্ট নেই অথবা মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তাঁরা বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে ট্রাভেল পারমিট নিতে পারবেন।

এরপর দেশে ফেরার জন্য বৈধ ও নিশ্চিত বিমান টিকিট সংগ্রহ করতে হবে। মালয়েশিয়ার সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, বিমানের টিকিটের যাত্রার তারিখ ইমিগ্রেশন অফিসে নির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্টের অন্তত পাঁচ দিন পর এবং সর্বোচ্চ ১৪ দিনের মধ্যে হতে হবে।

আবেদনকারীকে নির্ধারিত ইমিগ্রেশন অফিসে সরাসরি উপস্থিত হয়ে আবেদন করতে হবে। অন্য কোনো ব্যক্তি, প্রতিনিধি বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আবেদন করার সুযোগ নেই।

আবেদনের সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও সঙ্গে রাখতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে মূল পাসপোর্ট অথবা ট্রাভেল পারমিট, পাসপোর্টের জীবনীসংক্রান্ত তথ্যের পাতার কপি, সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন পাসের কপি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পুরোনো ও নতুন—দুই পাসপোর্টের কপি। এ ছাড়া বাংলাদেশে ফেরার বৈধ ও নিশ্চিত বিমান টিকিটও দেখাতে হবে।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত ফি ও প্রযোজ্য জরিমানা অনুমোদিত পদ্ধতিতে পরিশোধ করতে হবে। তবে আবেদন করার আগে সর্বশেষ ফি, নিয়ম ও অন্যান্য শর্ত ইমিগ্রেশন বিভাগের কাছ থেকে যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে হাইকমিশন।

হাইকমিশনের প্রেস সচিব আরও সতর্ক করে বলেন, বিআরএম ২.০ কর্মসূচিতে আবেদন করার জন্য কোনো দালাল, প্রতিনিধি বা তৃতীয় পক্ষকে অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কেউ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার কথা বলে টাকা চাইলে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি অনিয়মিত অবস্থায় থাকা বাংলাদেশিদের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন অফিস ও বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

১৩১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
প্রবাস নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন