সর্বশেষ

সাহিত্য

সীমাহীন গন্তব্য

শাহেদ সরোওয়ার্দী
শাহেদ সরোওয়ার্দী

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ ৮:২২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
শুভ্র তখন মাত্র রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে অনার্স প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়েছে।

জীবন তার কাছে তখনও এক বিশাল খোলা আকাশ—যেখানে স্বপ্নের কোনো সীমা নেই। চোখ বন্ধ করলেই সে দেখতে পেত নিজের ভবিষ্যৎ। থিয়েটারে সবেমাত্র সেদিন জয়েন করেছে সে। একদিন দেশের মানুষ তাকে চিনবে, তার অভিনয়ে হলভর্তি দর্শক নিঃশব্দ হয়ে যাবে, সংলাপ শেষ হলে হাততালিতে কেঁপে উঠবে মঞ্চ।
শাহেদ সরোওয়ার্দী

শুভ্রর একটি স্বপ্ন ছিল—একদিন দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হবে সে।

সেই স্বপ্নের টানে পড়াশোনার পাশাপাশি থিয়েটারে যোগ দিয়েছিল। সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়, বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা, তারপর রাত—রিহার্সাল, সংলাপ, মঞ্চচর্চা, চরিত্রের ভেতরে ঢুকে যাওয়া। অন্যেরা যখন দিনের শেষে ক্লান্ত শরীর নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ত, শুভ্র তখনও আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে সংলাপ বলত।

কিন্তু তার জীবনে একটা মানুষ ছিল, যে কিনা সমস্ত স্বপ্নের চেয়েও বড় ছিল।

- তার "মা"।

শুভ্রর মা ছিলেন হৃদরোগী।

কোনো দিন বেশ সুস্থ। হাসিমুখে ছেলের জন্য ভাত বেড়ে দিচ্ছেন। আবার কোনো দিন হঠাৎ বুক চেপে ধরে বিছানায় পড়ে আছেন।

তাই শুভ্রর জীবন কখনোই পুরোপুরি নিজের ছিল না।

বন্ধুরা ঈদের ছুটিতে বেড়াতে যেত, পূজার ছুটিতে আনন্দ করত, জন্মদিনে রাতভর উৎসব করত। শুভ্র তখন মায়ের ওষুধের হিসাব করত, ডাক্তার দেখাত, রাত জেগে মায়ের শ্বাস-প্রশ্বাস শুনত।

তবু সে হাসত।

মায়ের সামনে কখনো মন খারাপ করে বসে থাকত না।

কারণ সে জানত, তার মুখের বিষণ্ণতা মায়ের বুকের ব্যথার চেয়েও বেশি কষ্ট দেবে।

শুভ্রর জীবনে তখন কিছু বন্ধুর মধ্যে অন্যতম পুরোনো বন্ধু সুমনও ছিল। স্কুলজীবন থেকে বন্ধুত্ব। সময় তাদের আলাদা করেনি, বরং দূরত্ব যেন বন্ধুত্বটাকে আরও গভীর করেছিল।

সুমন তখন বুয়েটে পড়ে।

ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরলেই সোজা শুভ্রর কাছে। দুজনের আড্ডা, গল্প, ঘোরাঘুরি—সবকিছুতেই তারা যেন আবার স্কুলের সেই দুই কিশোর হয়ে যেত।

একদিন সুমন বলল,

—চল, তোকে চাচার বাড়ি নিয়ে যাই।

শুভ্র রাজি হয়ে গেল।

সে জানত না, সেদিন একটি দরজা খুলবে—আর সেই দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে থাকবে এমন একজন মানুষ, যে তার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর এবং সবচেয়ে নির্মম অধ্যায়ের নাম হয়ে থাকবে।

দরজা খুলেছিল একটি মেয়ে।

শ্রাবণী।

প্রথম দেখাতেই শুভ্র থমকে গিয়েছিল।

চিকন গড়ন। পাঁচ ফুট পাঁচ ইঞ্চির মতো উচ্চতা। শ্যামল মুখ। কোমর ছাপিয়ে নামা দীঘল কালো চুল। আর ঠোঁটের নিচে বাঁ পাশে ছোট্ট একটি কালো তিল।

শুভ্র সেদিন বুঝেছিল, কিছু মানুষকে প্রথম দেখাতেই মনে হয়—এই মানুষটিকে আমি যেন অনেক আগে থেকেই চিনি।

শ্রাবণী ছিল ঠিক তেমন।

কিন্তু একটু পরেই শুভ্র জানতে পারল, শ্রাবণী তার চেয়ে দুই বছরের বড়। অর্থনীতি বিভাগে অনার্স তৃতীয় বর্ষে পড়ে।

মনের ভেতর একটা দীর্ঘশ্বাস উঠল।

তবু হৃদয় কি কখনো বয়সের হিসাব বোঝে?

শুভ্র অজুহাত খুঁজে শ্রাবণীদের বাড়ি যেতে শুরু করল।

কখনো সুমনের সঙ্গে। কখনো কোনো বই দেওয়ার কথা বলে। কখনো কবিতা শোনাতে।

শ্রাবণীও শুভ্রর সঙ্গ পছন্দ করত।

শুভ্র কথা বললে শ্রাবণী হাসত।

সেই হাসি শুভ্রর কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর শব্দ হয়ে উঠেছিল।

একদিন শ্রাবণী বলল,

—তোমার মোবাইল নম্বরটা দাও তো।

শুভ্র নম্বর বলার সময় নিজের কণ্ঠের কাঁপুনি লুকানোর চেষ্টা করেছিল।

তারপর শুরু হলো রাতের পর রাত কথা।

তখন মোবাইলের কলরেট ছিল ২৫ পয়সা।

কত রাত যে তারা কথা বলেছে, তার হিসাব কেউ রাখেনি।

এক রাতে গল্প করতে করতে কখন যে ভোর হয়ে গিয়েছিল, তারা কেউ টেরই পায়নি।

শুভ্র বলেছিল,

—আমাদের কথা কি কোনোদিন শেষ হবে?

শ্রাবণী হেসে বলেছিল,

—যেদিন কথা শেষ হবে, সেদিন বুঝবে আমাদের গল্পও শেষ।

শুভ্র সেদিন বিশ্বাস করেছিল—এই গল্পের কোনো শেষ নেই।

এক বিকেলে বাতাসে শ্রাবণীর চুল উড়ছিল।

শুভ্র চুপ করে তাকিয়ে ছিল।

কয়েকটি চুল বাতাসে উড়ে এসে তার হাতের কাছে পড়ল। সে নিঃশব্দে সেগুলো তুলে বুক পকেটে রাখল।

শ্রাবণী অবাক হয়ে বলেছিল,

—ওগুলো দিয়ে কী করবে?

শুভ্র মৃদু হেসে বলেছিল,

—জানি না।

বাড়ি ফিরে সেই দু-তিনটি চুল ডায়েরির ভাঁজে রেখে দিয়েছিল সে।

সেদিন তার মনে হয়েছিল, ভালোবাসা বোধহয় এমনই—একজন মানুষের অস্তিত্বের ক্ষুদ্রতম চিহ্নও তখন অমূল্য হয়ে ওঠে।

কিন্তু ভালোবাসার গল্পে সবসময় বসন্ত থাকে না।

হঠাৎ শ্রাবণী বদলে গেল।

আগের মতো ফোন ধরত না।

কথা বলতে চাইত না।

শুভ্র ফোন করলে ব্যস্ততার অজুহাত।

কখনো কল কেটে দেওয়া।

কখনো দীর্ঘ নীরবতা।

শুভ্র বুঝতে পারছিল না কী অপরাধ করেছে সে।

একদিন অনেক কষ্টে যোগাযোগ হলো।

শ্রাবণীর কণ্ঠ ছিল অচেনা ঠান্ডা।

—শুভ্র, আমার একটা ভালো সম্বন্ধ এসেছে।

শুভ্র কিছুক্ষণ চুপ করে রইল।

—তাতে?

—বাড়ির সবাই রাজি।

—তুমি?

ওপাশে নীরবতা।

তারপর শ্রাবণী বলল,

—আমার পক্ষে পরিবারের কথার বাইরে যাওয়া সম্ভব না।

শুভ্রর বুকের ভেতর যেন কেউ ধীরে ধীরে একটা দরজা বন্ধ করে দিল।

—শ্রাবণী, তুমি আমাকে ভালোবাসো?

দীর্ঘ নীরবতা।

—আমি জানি না।

শুভ্রর চোখ ভিজে উঠেছিল।

—তাহলে এতদিন?

শ্রাবণী কোনো উত্তর দিল না।

শুভ্র অনুরোধ করেছিল।

বারবার।

কেঁদেছিল।

বলেছিল,

—আমাকে ছেড়ে যেও না। আমি তোমাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখেছি।

কিন্তু কিছু মানুষ চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে আপনার কান্না তাদের পথ আটকাতে পারে না।

শ্রাবণীও চলে গেল।

ঠিক সেই সময় শুভ্রর জীবনে আরেকটি অন্ধকার নেমে এল।

তার মা হঠাৎ প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে পড়লেন।

ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক।

আইসিইউ।

হাসপাতালের করিডোরে শুভ্র দাঁড়িয়ে ছিল পাথরের মতো।

ডাক্তাররা চেষ্টা করলেন।

সবাই চেষ্টা করল।

কিন্তু কিছু মানুষকে পৃথিবী যতটা ভালোবাসে, মৃত্যুকে তার চেয়েও বেশি ভালোবাসা থাকে।

একসময় ডাক্তার বেরিয়ে এসে শুধু মাথা নেড়ে বললেন,

—আমরা দুঃখিত।

শুভ্র প্রথমে বুঝতে পারেনি।

তারপর মেঝেতে বসে পড়ল।

মায়ের মুখটা শেষবার দেখতে গিয়ে সে মায়ের হাত ধরে বলেছিল,

—মা, আমি তোকে খুব ভালোবাসি।

মা কোনো উত্তর দেননি।

যে হাতটা সারা জীবন ছেলের মাথায় হাত রেখেছিল, সেই হাতটা সেদিন নিস্তব্ধ।

শুভ্রর পৃথিবী সেদিন সত্যিই শেষ হয়ে গিয়েছিল।

মায়ের জানাজা, দাফন, মানুষের ভিড়—সবকিছু যেন স্বপ্নের মতো ঘটল।

সবাই চলে গেল।

বাড়ি নিস্তব্ধ হয়ে গেল।

শুধু মায়ের ঘর থেকে মায়ের গন্ধটা রয়ে গেল।

বালিশে মাথা রেখে শুভ্র এক রাতে চুপচাপ কাঁদছিল।

তার মনে হচ্ছিল, শ্রাবণী নিশ্চয়ই ফোন করবে।

হয়তো বলবে,

‘শুভ্র, আমি শুনেছি তোমার মা নেই। তুমি কেমন আছ?’

একটা ফোন।

শুধু একটা ফোনই তো চেয়েছিল সে।

একটা সমবেদনা।

একটা ‘আমি আছি।’

কিন্তু ফোন এল না।

একদিন।

দুই দিন।

এক সপ্তাহ।

শ্রাবণী আর খোঁজ নিল না।

সেদিন শুভ্রর ভেতরে কিছু একটা মরে গেল।

সে বুঝল, যে মানুষটি তার ভালোবাসার কথা শুনেও নীরব থাকতে পারে, তার মায়ের মৃত্যুর খবর শুনেও একবার ফোন করতে পারে না—তার কাছে শুভ্র কখনোই গুরুত্বপূর্ণ ছিল না।

হয়তো সে শুধু সময় কাটানোর একজন মানুষ ছিল।

শুভ্রর মনে হলো, বাড়ির উঠোনের কুকুরটাও মানুষের ভালোবাসা পায়।

অথচ সে একজন মানুষ হয়েও শ্রাবণীর কাছে ভালোবাসার যোগ্য হতে পারেনি।

তারপর সে ভালোবাসাকে ঘৃণা করতে শুরু করল।

দেড় বছর কেটে গেল।

শুভ্র বদলে গেল।

থিয়েটারে আরও বেশি ডুবে গেল।

মঞ্চের আলোয় সে নিজেকে হারিয়ে ফেলত।

কারণ মঞ্চে দাঁড়ালে কেউ বুঝতে পারত না—অভিনয় করছে শুভ্র, নাকি নিজের জীবনটাই অভিনয় করছে।

এক রাতে সে ডায়েরিটা খুলল।

সেই পুরোনো চুলগুলো এখনও সেখানে ছিল।

কত যত্নে রাখা!

শ্রাবণীর চিঠি।

ছবি।

পুরোনো কাগজ।

সবকিছু একে একে বের করল শুভ্র।

তারপর আগুন জ্বালাল।

ছবিগুলো পুড়ল।

চিঠিগুলো পুড়ল।

শেষে সেই চুলগুলোও আগুনে ছুঁড়ে দিল।

শুভ্র অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইল।

আগুনের লেলিহান শিখায় সে যেন নিজের একটা জীবন পুড়তে দেখল।

হঠাৎ মোবাইল বেজে উঠল।

অপরিচিত নম্বর।

শুভ্র ফোন ধরল।

—হ্যালো?

ওপাশে কিছুক্ষণ নীরবতা।

তারপর একটি কণ্ঠ।

খুব পরিচিত।

খুব পুরোনো।

—শুভ্র...

শুভ্রর বুকের ভেতর কেঁপে উঠল।

শ্রাবণী।

সে কিছু বলতে পারল না।

শ্রাবণী কাঁদছিল।

—শুভ্র, আমাকে ক্ষমা করো।

শুভ্র চোখ বন্ধ করল।

দেড় বছর আগের সেই রাতগুলো যেন এক মুহূর্তে ফিরে এল।

২৫ পয়সার কল।

ভোরের আলো।

বাতাসে উড়ে যাওয়া চুল।

ঠোঁটের নিচে কালো তিল।

সব।

শ্রাবণী বলল,

—আমি ভুল করেছি। আমি তোমার কাছে ফিরে আসতে চাই।

শুভ্র অনেকক্ষণ চুপ করে থেকে বলল,

—কোথায় ছিলে তুমি?

—আমি বুঝতে পারিনি...

—না, শ্রাবণী। তুমি বুঝেছিলে। শুধু তখন আমার কষ্টটা তোমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল না।

ওপাশে কান্না।

—একবার আমাকে সুযোগ দাও।

শুভ্র জানালার বাইরে তাকাল।

রাত অনেক গভীর।

সে শান্ত গলায় বলল,

—একটা ভাঙা বিশ্বাস জোড়া লাগানো যায়। কিন্তু আগের মতো বিশ্বাস করা যায় না।

—তুমি কি আমাকে আর ভালোবাসো না?

শুভ্রর চোখ থেকে একটি অশ্রু গড়িয়ে পড়ল।

সে খুব আস্তে বলল,

—ভালোবাসতাম।

‘ভালোবাসতাম’ শব্দটি উচ্চারণ করতে গিয়ে তার বুকের ভেতরটা যেন ছিঁড়ে গেল।

তারপর বলল,

—এখন আর ভালোবাসি না।

ফোনের ওপাশে শ্রাবণী কাঁদছিল।

শুভ্র ফোন কেটে দিল।

কিছুক্ষণ মোবাইলটার দিকে তাকিয়ে রইল।

তারপর সেটি টেবিলের ওপর রেখে বাইরে বেরিয়ে এল।

আকাশে কোনো চাঁদ ছিল না।

রাস্তাগুলো ফাঁকা।

শুভ্র হাঁটতে শুরু করল।

কোথায় যাবে, সে জানে না।

কেন যাবে, তাও জানে না।

শুধু জানে, তার ফেরার মতো কোনো ঘর আর নেই।

যে ঘরে মা ছিল, সেখানে এখন মায়ের স্মৃতি।

যে হৃদয়ে শ্রাবণী ছিল, সেখানে এখন পোড়া চিঠির গন্ধ।

আর যে ভবিষ্যৎ একসময় স্বপ্নে ভরা ছিল, সেখানে এখন কেবল দীর্ঘ এক শূন্যতা।

শুভ্র হাঁটতে হাঁটতে থেমে গেল।

দূরে কোনো এক বাড়ির জানালা দিয়ে মৃদু আলো বের হচ্ছিল।

হঠাৎ তার মনে হলো—জীবন আসলে মানুষের ইচ্ছেমতো গল্প লেখে না।

কখনো মা চলে যায়।

কখনো প্রিয় মানুষ চলে যায়।

কখনো দুজনেই চলে যায়।

আর মানুষটা?

সে থেকে যায়।

শুধু আগের মানুষটি আর থাকে না।

শুভ্র আকাশের দিকে তাকাল।

মায়ের কথা মনে পড়ল।

মনে পড়ল শ্রাবণীর কথা।

তারপর খুব আস্তে বলল,

—মা, আমি আজ খুব একা।

কোনো উত্তর এল না।

শুধু দূরে কোথাও রাতের বাতাসে শুকনো পাতার শব্দ হলো।

শুভ্র আবার হাঁটতে শুরু করল।

তার সামনে দীর্ঘ রাস্তা।

কোনো পরিচিত গন্তব্য নেই।

কোনো অপেক্ষা নেই।

কোনো হাত নেই, যে হাত ধরে সে ফিরবে।

তবু সে হাঁটছে।

কারণ কিছু মানুষ বেঁচে থাকে বাঁচার জন্য নয়—

*শুধু এই আশায় যে, একদিন হয়তো দুঃখেরও শেষ হবে।*

আর শুভ্র?

সে রওনা হলো এক অচেনা পথে।

এক সীমাহীন গন্তব্যের দিকে।

পেছনে পড়ে রইল একটি মায়ের নিঃশব্দ কবর,

একটি পোড়া ডায়েরি,

আর ঠোঁটের নিচে ছোট্ট কালো তিলওয়ালা একটি মেয়ের স্মৃতি—

যাকে সে একদিন পৃথিবীর সবকিছুর চেয়ে বেশি ভালোবেসেছিল।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত বুঝেছিল—

**কিছু মানুষ আমাদের জীবনে আসে থাকার জন্য নয়,
আমাদের ভেঙে দিয়ে চলে যাওয়ার জন্য।**

আর কিছু বিচ্ছেদ?

সেগুলোর কোনো শেষ নেই।

মানুষটি চলে যায়,

কিন্তু তার রেখে যাওয়া শূন্যতা—

সীমাহীন থেকে যায়।

১৩২ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সাহিত্য নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন