সর্বশেষ

জাতীয়

বাজার বিখ্যাত ঘিসহ ১০ পণ্যের নিম্নমান, প্রত্যাহারের নির্দেশ 

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় বাংলাদেশ মান অনুযায়ী নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বম্বে সুইটসের পাঁচ ধরনের মসলাসহ ১০টি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। একই সঙ্গে এসব পণ্যের লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

নিয়মিত সার্ভিল্যান্স কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সম্প্রতি বাজার থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পণ্য সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে বিএসটিআই। প্রতিষ্ঠানটির আন্তর্জাতিক মানের নিজস্ব ল্যাবরেটরিতে এসব পরীক্ষা করা হয়। এতে কয়েকটি পণ্যের মান ঠিক থাকলেও কিছু ব্র্যান্ডের ঘি, বাটার অয়েল ও মসলায় নির্ধারিত মানের ব্যত্যয় পাওয়া যায়।

বিএসটিআই জানিয়েছে, পরীক্ষায় নিম্নমানের প্রমাণিত এসব পণ্য ক্রয় থেকে বিরত থাকতে ভোক্তাদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষায় বাঘাবাড়ি ব্র্যান্ডের ঘিতে দুধের চর্বি বা মিল্ক ফ্যাট পাওয়া যায়নি। বিএসটিআইয়ের পরীক্ষার ফল অনুযায়ী, পাম অলিন ও বনস্পতি ব্যবহার করে ওই পণ্য তৈরি করে ‘ঘি’ নামে বাজারজাত করা হচ্ছে।

এ ছাড়া বম্বে সুইটস অ্যান্ড কোং লিমিটেডের পাঁচ ধরনের মসলা বাংলাদেশ মানের (বিডিএস) বিভিন্ন পরামিতিতে অকৃতকার্য হয়েছে। এগুলো হলো কারি পাউডার হাঁসের মাংসের মসলা (ব্যাচ নম্বর ১৪১২২৪), তেহারি মসলা (ব্যাচ নম্বর ১৪০২২৬), কালা ভুনা মসলা (ব্যাচ নম্বর ২৬০৯২৭), গরুর মাংসের মসলা (ব্যাচ-এ) এবং মাছের মসলা (ব্যাচ-এ)। এসব পণ্যে মোট অ্যাশ ও লবণের মাত্রা নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ মানের চেয়ে নিম্নমানের ঘি ও বাটার অয়েলের তালিকায় রয়েছে বাঘাবাড়ি প্রিমিয়াম ঘি কোম্পানির ‘বাঘাবাড়ি’ ব্র্যান্ডের ঘি। এ পণ্যটির উৎপাদনের তারিখ ১ জুলাই ২০২৬ এবং মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ ৩০ জুলাই ২০২৮।

এ ছাড়া কিশোরগঞ্জ ফুড প্রোডাক্টসের ‘অরুন বাঘাবাড়ী’ ব্র্যান্ডের ঘি, মেসার্স মামুন ফুড প্রোডাক্টের ‘নিউ রাঁধুনী’ ও ‘সিটি’ ব্র্যান্ডের ঘি এবং এলডার্স ফুড প্রোডাক্টস অ্যান্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজের ‘এলডার্স’ ব্র্যান্ডের বাটার অয়েল পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে।

বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় এসব ঘি ও বাটার অয়েলের রিফ্র্যাক্টিভ ইনডেক্স, আয়োডিন ভ্যালু, স্যাপোনিফিকেশন ভ্যালু ও পলেনস্কে ভ্যালু নির্ধারিত সীমার বাইরে পাওয়া গেছে।

বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, জাতীয় মান অনুযায়ী পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখা লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের আইনগত ও নৈতিক দায়িত্ব। কোনো প্রতিষ্ঠান এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বিএসটিআই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

তিনি বলেন, পণ্যের মান সনদ দেওয়ার পাশাপাশি নকল ও ভেজাল পণ্য ঠেকাতে সার্ভিল্যান্সের মাধ্যমে বিএসটিআইয়ের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

পণ্য কেনার আগে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, উপাদানসহ প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করতে ভোক্তাদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কোনো পণ্যের মান, ভেজাল, প্রতারণা বা বিএসটিআইয়ের মানচিহ্নের অপব্যবহার নিয়ে অভিযোগ থাকলে বিএসটিআইয়ের হটলাইন ১৬১১৯ নম্বরে অথবা dg@bsti.gov.bd ই-মেইলে জানাতে বলা হয়েছে।

১২৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন