সর্বশেষ

সারাদেশ

সাটুরিয়ায় টেন্ডার ছাড়াই স্কুলের গাছ ও ভবন বিক্রির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার, মানিকগঞ্জ
স্টাফ রিপোর্টার, মানিকগঞ্জ

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬ ১১:১৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হাসেম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে টেন্ডার ছাড়া গোপনে বিদ্যালয়ের গাছ কাটা ও ভবন বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম অমান্য করে এই বিপুল পরিমাণ সম্পদ নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কোনো ধরনের সরকারি টেন্ডার বা প্রশাসনিক অনুমোদন ছাড়াই তিল্লী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হাসেম ভূঁইয়া ক্যাম্পাসের বেশ কিছু মূল্যবান গাছ কেটে ফেলেছেন। একই সঙ্গে নিয়মনীতি উপেক্ষা করে একটি রেজুলেশনের মাধ্যমে স্কুলের পরিত্যক্ত ভবনটি মাত্র ৮৩ হাজার টাকায় মোনাজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। পরবর্তীতে চলতি মাসের ১০ তারিখে পরিচালনা কমিটির সভায় বিষয়টি তড়িঘড়ি করে অনুমোদন করিয়ে নেওয়া হয়।

সরকারি নিয়মানুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক যেকোনো সম্পদ বিক্রির ক্ষেত্রে শিক্ষা অফিস ও স্থানীয় প্রশাসনের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু প্রধান শিক্ষক সব বিধিমালা উপেক্ষা করে অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে এই সম্পদ হস্তান্তর করেন। এ ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও সুশীল সমাজের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মহর আলী অভিযোগ করেন, বর্তমান প্রধান শিক্ষক বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ক্ষমতার প্রভাব কাটিয়ে নানা অনিয়ম করেছেন। ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পরও তিনি একই কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। অতীতেও তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে। অন্য একাধিক শিক্ষক ও অভিভাবক জানান, বিদ্যালয়ের পড়াশোনার মানের দিকে প্রধান শিক্ষকের মনোযোগ নেই, তাঁর একমাত্র লক্ষ্য অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন করা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আবুল হাসেম ভূঁইয়ার সঙ্গে কথা বলার জন্য বিদ্যালয়ে গেলে তাঁকে পাওয়া যায়নি। এমনকি মুঠোফোনে বারবার চেষ্টা করেও তাঁর কোনো বক্তব্য মেলেনি। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোকসেদুর রহমানের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া গেছে।

সাটুরিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফকির জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গাছ কাটা এবং ভবন বিক্রির জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের অনুমতি নেয়নি, যা সম্পূর্ণ আইনবহির্ভূত। সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ অনিক ইসলাম জানিয়েছেন, বিষয়টি তিনি মৌখিকভাবে শুনেছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১২৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন