সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

চলমান বিতর্কে ভারতের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বড় রদবদল

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬ ৬:৫৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক চাপের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বড় ধরনের প্রশাসনিক পরিবর্তন আনা হয়েছে। শিক্ষা সচিব বিনীত যোশিকে সরিয়ে তাঁর স্থলে নরেশ গাঙ্গওয়ারকে নিয়োগ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। একই সঙ্গে প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আরও কয়েকটি রদবদল করা হয়েছে।
শিক্ষা সচিব বিনীত যোশি

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলমান বিতর্কের মধ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে বড় ধরনের প্রশাসনিক রদবদল করেছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জারি করা সরকারি প্রজ্ঞাপনে এই পরিবর্তনের ঘোষণা দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বিনীত যোশিকে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন নরেশ গাঙ্গওয়ার, যিনি এত দিন মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

সরকারের এই প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের আওতায় মোট ১৩টি নতুন নিয়োগ এবং চারজন কর্মকর্তার পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গ্রামীণ উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত সচিব টি কে অনিল কুমারকে স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। আন্দোলনকারীদের একটি অংশ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগও দাবি করছেন।

এদিকে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য নিশিকান্ত দুবে দাবি করেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় প্রশাসনিক উদাসীনতার কারণেই শিক্ষা সচিবকে পরিবর্তন করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংশ্লিষ্ট ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের পাশাপাশি অবহেলা বা দায়িত্বে গাফিলতি করা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রশ্নপত্র ফাঁস-সংক্রান্ত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিশেষ দ্রুত বিচার আদালত (ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট) গঠন করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি এ ধরনের অনিয়ম রোধে আরও কঠোর আইন প্রণয়নের উদ্যোগ হিসেবে আগামী সপ্তাহে সংসদে একটি বিল উত্থাপনের চেষ্টা করবে সরকার।

১৯৯২ ব্যাচের ভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবার (আইএএস) কর্মকর্তা বিনীত যোশি এর আগে মণিপুরের মুখ্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি জাতীয় পরীক্ষা সংস্থা (এনটিএ), কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (সিবিএসই) এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বে ছিলেন।

অন্যদিকে, ১৯৯৪ ব্যাচের আইএএস কর্মকর্তা নরেশ গাঙ্গওয়ার রাজস্থানের বিভিন্ন জেলায় জেলা প্রশাসক হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি রাজ্য সরকারের শিক্ষা বিভাগ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়েও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

১৪০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন