সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাজ্যে অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধে সমালোচনা

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২:৫৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ফ্রান্স থেকে ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের আগমন ঠেকানোর দাবিতে টানা দুই দিন বিক্ষোভ হয়েছে। শনিবার ডোভার বন্দরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভের পর রোববার রাতে উপকূলীয় শহর পোর্টসমাউথেও কয়েক শ মানুষ বিক্ষোভ করেন। সড়ক অবরোধ ও যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটানোর ঘটনায় সরকারের পক্ষ থেকে নিন্দা জানানো হয়েছে।

শনিবার ইংল্যান্ডের ডোভার বন্দরে মুখোশ পরা একদল বিক্ষোভকারী যান চলাচলে বাধা দেন। এ সময় তাঁরা ‘নৌকা চলাচল বন্ধ করো’—এমন স্লোগান দেন। তাঁদের মূল ক্ষোভ ছিল ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে ছোট নৌযানে করে আশ্রয়প্রার্থীদের যুক্তরাজ্যে প্রবেশ নিয়ে।

বিক্ষোভের কারণে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে ফেরি চলাচল ব্যাহত হয়। ডোভার শহরে প্রায় চার মাইল বা ৬ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। ওই বিক্ষোভে কয়েক শ মানুষ অংশ নেন। তাঁদের অনেকের মুখেই ছিল মুখোশ।

শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অধিকার গণতন্ত্রের মৌলিক বিষয় উল্লেখ করে যুক্তরাজ্য সরকার বলেছে, ডোভারে যে ধরনের বিক্ষোভ হয়েছে এবং যার কারণে মানুষের যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটেছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়।

এর এক দিন পর পোর্টসমাউথে আশ্রয়প্রার্থীদের নৌযানে করে আগমন বন্ধের দাবিতে আরেকটি বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভের বিষয়ে স্কাই নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রেজারির চিফ সেক্রেটারি এমা রেনল্ডস বলেন, এত বড় মাত্রার বিক্ষোভ সেখানে আগে খুব বেশি দেখা যায়নি। তবে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের আচরণকে ‘গুণ্ডাসুলভ’ ও ভীতিপ্রদ হিসেবে মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন এমা রেনল্ডস। তাঁর মতে, অল্প সময়ের মধ্যে এ ধরনের সংগঠিত বিক্ষোভ উদ্বেগজনক।

পোর্টসমাউথের পুলিশ ও অপরাধবিষয়ক কমিশনার ডোনা জোন্স বলেন, বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ থাকলেও বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতির কারণে পরিস্থিতি সামাল দিতে আশপাশের এলাকা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য আনা হয়েছিল।

যুক্তরাজ্যে ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে আশ্রয়প্রার্থীদের আগমন দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয়। এ সমস্যা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার অভিযোগে সরকার বিরোধী দল ও অভিবাসনবিরোধী গোষ্ঠীগুলোর সমালোচনার মুখে রয়েছে।

এমা রেনল্ডসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে যুক্তরাজ্যে আসা আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা প্রায় ১৭ হাজার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ সংখ্যা ৪৩ শতাংশ কম।

সাম্প্রতিক দুই দিনের বিক্ষোভের পেছনে মূল ক্ষোভের কারণ ছিল ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে প্রায় ১৪০ জন আশ্রয়প্রার্থীর যুক্তরাজ্যে পৌঁছানো। সিগন্যাল ও টেলিগ্রামের মতো মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করে কয়েকটি কট্টর ডানপন্থী গোষ্ঠী এসব বিক্ষোভের আহ্বান জানিয়েছিল বলে জানা গেছে।

১৩৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন