বন্যা মোকাবিলায় সক্ষমতা দেখিয়েছে সরকার, পাহাড়খেকোদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি প্রতিমন্ত্রীর
বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬ ১:৫৬ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
কক্সবাজারে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং পাহাড়খেকো ও কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ডিপিএইচই) মাধ্যমে দুর্গতদের মাঝে জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
মঙ্গলবার কক্সবাজারের বিভিন্ন বন্যাকবলিত ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন সরকারের বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী। তিনি সদর উপজেলার ঝিলংজা চান্দের পাড়া এলাকায় জেলা ও সদর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত অসচ্ছল পরিবারগুলোর মাঝে ত্রাণসামগ্রী ও পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধের বিশেষ কিট বিতরণ করেন।
ত্রাণ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের যেকোনো দুর্যোগে বর্তমান সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত। সাম্প্রতিক বন্যা মোকাবিলায় সরকারের সক্ষমতা প্রমাণিত হয়েছে। বন্যার পানি সম্পূর্ণ নেমে যাওয়ার সাথে সাথেই ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য অবকাঠামোগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংস্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সাথে মৎস্য চাষি, কৃষক এবং গবাদিপশু হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া পরিবারগুলোকে সরকারি পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
পাহাড় কাটা ও কৃত্রিম জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে তীব্র হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, বিগত দিনে কক্সবাজারে যেভাবে পরিবেশ ধ্বংস করে নির্বিচারে পাহাড় কাটা হয়েছে, তা আর বরদাশত করা হবে না। পরিবেশ ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে আইনের কঠোরতম প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া কোথাও পানি নিষ্কাশনের সুইসগেট বন্ধ রেখে কৃত্রিমভাবে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি করা হয়ে থাকলে, তা তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
সরকারি এ কর্মসূচিতে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল, জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান, জেলা পুলিশ সুপার সাজেদুর রহমান এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ নাসরুল্লাহসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৩৫ বার পড়া হয়েছে