ফরিদপুরে বিএনপি নেতাকে ঘিরে ভাইরাল ভিডিও, অভিযোগ অস্বীকার করলেন ওবায়দুর রহমান
রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬ ৫:২৩ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমানকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে নানা আলোচনা ও অভিযোগ উঠলেও অভিযুক্ত নেতা দাবি করেছেন, ভিডিওটি তার নয় এবং রাজনৈতিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পেলে তদন্তের কথা জানিয়েছে প্রশাসন। অন্যদিকে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে জেলা বিএনপি।
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমানকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি দাবি করেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তিটি ওবায়দুর রহমান। তবে এই দাবির স্বাধীনভাবে কোনো যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, বিদেশে লোক পাঠানোর নামে প্রতারণাসহ বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে ওবায়দুর রহমান জড়িত ছিলেন। তার দাবি, এ ধরনের অভিযোগে স্থানীয়ভাবে আগে থেকেও আলোচনা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে তিনি প্রকাশ্যে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
আরেকজন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, যিনি পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি, বলেন, ভিডিওটি নিয়ে কয়েক দিন আগে স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক হয়েছিল। তবে ভিডিওটি কীভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দাও দাবি করেন, ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ আগে থেকে রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো আদালতের রায় বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের ফলাফল পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে ওবায়দুর রহমান বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাকে হেয় করার জন্য অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তার ভাষ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক মিনিট দুই সেকেন্ডের ভিডিওটি তার নয়। তিনি এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান।
আলিয়াবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, ওবায়দুর রহমান ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি আগে বিদেশে লোক পাঠানোর কাজ করতেন বলে শুনেছেন। তবে ভাইরাল ভিডিওর বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ বা গ্রহণযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব একে এম কিবরীয়া সপন বলেন, দলের কোনো নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৫৭ বার পড়া হয়েছে