বিএনপি
রাষ্ট্রপতি চাই গণতন্ত্র ও সংবিধানের অকুতোভয় রক্ষক
বাংলাদেশ এখন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের অপেক্ষায়। মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সংবিধান অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার কথা। সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটি যাঁকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেবে, তিনিই যে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হবেন, তা অনেকটাই নিশ্চিত। বিএনপি জানিয়েছে, দলের স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আইনমন্ত্রীও জানিয়েছেন, সংসদের পরবর্তী অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
নতুন রাষ্ট্রপতি কে হতে পারেন, আলোচনায় একাধিক নাম
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিএনপির জ্যেষ্ঠ কয়েকজন নেতা, একজন সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন আমলার নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।
অডিও বিতর্কে যুবদল নেতা, সাংগঠনিক ব্যবস্থার দাবি জোরালো
দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রতিকূলতার সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে বিএনপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে যুবদল ও ছাত্রদলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দলের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, প্রভাব বিস্তার ও অসদাচরণের অভিযোগ সামনে আসায় দলীয় শৃঙ্খলা এবং জনআস্থা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব সাহেদ আহমেদকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান ফখরুলের
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে বিভিন্ন মহলে চলমান আলোচনার মধ্যে এ বিষয়ে কোনো ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই।
মতপার্থক্য হলেও বিভেদ নেই, ঐক্য ধরেই ৩১ দফা বাস্তবায়ন: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সরকার ও শরিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে কোনো বিভেদ নেই। ৩১ দফা ও জুলাই সনদের আলোকে দেশ পরিচালনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, জনগণের আস্থা ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। একই সঙ্গে তিনি ‘গুপ্ত বাহিনী’ উল্লেখ করে নির্বাচনের আগে ও পরে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অভিযোগও তোলেন।
মিত্র দলগুলোর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ, জাতীয় ঐক্য জোরদার
সরকার গঠনের পাঁচ মাস পর যুগপৎ আন্দোলনের মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটগুলোর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে প্রথমবারের মতো নৈশভোজ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে জাতীয় ঐক্য, রাষ্ট্র সংস্কার এবং সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় হয়। বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দীর্ঘ আন্দোলনের সহযোদ্ধাদের এই মিলন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।