সর্বশেষ

সারাদেশ

পদ্মায় নতুন পানির জোয়ার: কুষ্টিয়ায় নৌকা মেরামতে ব্যস্ত মাঝি ও জেলেরা

আতিয়ার রহমান, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া
আতিয়ার রহমান, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া

রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬ ৯:২৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
শুষ্ক মৌসুমের অবসান ঘটিয়ে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীতে আসতে শুরু করেছে বর্ষার নতুন পানি। এতে দীর্ঘ বিরতির পর প্রাণচঞ্চল হয়ে উঠেছে নদীকেন্দ্রিক জনপদ। যাতায়াত ও জীবিকার প্রধান মাধ্যম সচল করতে ঘাটগুলোতে দিনরাত চলছে নৌকা মেরামতের ব্যস্ততা।
প্রাণচঞ্চল হয়ে উঠেছে নদীকেন্দ্রিক জনপদ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আবেদের ঘাটসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে উৎসবমুখর পরিবেশ। পদ্মার বুকে জেগে ওঠা চরে প্রায় আট মাস ধরে অলস পড়ে থাকা নৌকাগুলো এখন সচল করার তোড়জোড় চলছে। বর্ষার পানি পুরোপুরি বাড়ার আগেই নৌকাগুলো প্রস্তুত করতে মরিয়া স্থানীয় বাসিন্দা ও কারিগরেরা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, উপজেলার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষের যাতায়াতের একমাত্র অবলম্বন এই নৌপথ। বর্ষা মৌসুমে যাতায়াত, চিকিৎসাসেবা ও কৃষিপণ্য পরিবহনে নৌকা ছাড়া তাদের কোনো বিকল্প নেই। তাই এই সময়ে কর্মব্যস্ততা বেড়েছে বহুগুণ।

রাজবাড়ী ও রাজশাহী থেকে আসা কাঠমিস্ত্রিরা এখন দিনরাত হাতুড়ি-করাতের শব্দে মুখর করে রেখেছেন নদীর তীর। তারা জানান, দীর্ঘদিন রোদে শুকিয়ে ও অবহেলায় পড়ে থাকায় অনেক নৌকার কাঠ নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে সেগুলোতে নতুন তক্তা লাগানো এবং পানি নিরোধক করতে আলকাতরা ও রঙের প্রলেপ দেওয়া হচ্ছে।

নৌকা মালিকেরা জানান, বছরের মাত্র চার মাস তারা নৌকা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন। বছরের বাকি সময় নাব্যতা সংকটের কারণে নদী শুকিয়ে থাকায় চরম কষ্টে দিন কাটে তাদের। এই স্বল্প সময়ের উপার্জনেই চলে তাদের পুরো বছরের সংসার। তাই নদী খনন করে স্থায়ীভাবে নাব্যতা ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

১৩৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন