ঢাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে এক দিনে ১,৯৮৮ মামলা, ডাম্পিং ৪১৩ যানবাহন
রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬ ১১:১৬ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে এক দিনে ১,৯৮৮টি মামলা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। এ সময় ৪১৩টি যানবাহন ডাম্পিং এবং ১৪৬টি যানবাহন রেকার করা হয়েছে। ট্রাফিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।
শনিবার (২৭ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ট্রাফিক আইন অমান্যকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, নগরীতে সড়ক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১২০টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৮টি বাস, ২টি ট্রাক, ৫টি কাভার্ডভ্যান, ১৬টি সিএনজি অটোরিকশা এবং ৪২টি মোটরসাইকেল।
ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে মোট ২১৫টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৭টি বাস, ৮টি ট্রাক, ৩টি কাভার্ডভ্যান, ২০টি সিএনজি এবং ১২৭টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে সর্বমোট ৪১৭টি মামলা হয়েছে। এ বিভাগে ১২টি বাস, ১৫টি কাভার্ডভ্যান, ৮০টি সিএনজি এবং ২৪৩টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ১২১টি মামলার মধ্যে রয়েছে ১২টি বাস, ১২টি ট্রাক, ১৭টি কাভার্ডভ্যান, ১১টি সিএনজি এবং ৩৯টি মোটরসাইকেল।
অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১৪০টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩টি বাস, ৩টি কাভার্ডভ্যান, ৪৪টি সিএনজি এবং ৪৬টি মোটরসাইকেল রয়েছে।
সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে। সেখানে মোট ৪৯২টি মামলার মধ্যে রয়েছে ৯টি বাস, ১৫টি ট্রাক, ১৪টি কাভার্ডভ্যান, ৮১টি সিএনজি এবং ৩১২টি মোটরসাইকেল।
ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ২৯২টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৯টি বাস, ১টি ট্রাক, ১৮টি কাভার্ডভ্যান, ৬০টি সিএনজি এবং ১১২টি মোটরসাইকেল।
এ ছাড়া ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ১৯১টি মামলার মধ্যে ১৬টি বাস, ২টি ট্রাক, ৬টি কাভার্ডভ্যান, ২৬টি সিএনজি এবং ৯০টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, অভিযানের সময় মোট ৪১৩টি যানবাহন ডাম্পিং এবং ১৪৬টি যানবাহন রেকার করা হয়েছে। রাজধানীতে নিরাপদ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ সড়ক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ট্রাফিক বিভাগের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
১১৩ বার পড়া হয়েছে