কাঁটাবনের ১৪ তলা ভবনে আগুনে দগ্ধ হয়ে ২ তরুণের মৃত্যু
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬ ৪:৪৬ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
রাজধানীর কাঁটাবনের একটি ১৪ তলা আবাসিক ভবনের ১২ তলার একটি ফ্ল্যাটে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে দুই তরুণের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাতের এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহত দুজন কর্মসূত্রে ওই ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন।
রাজধানীর কাঁটাবনের একটি ১৪ তলা আবাসিক ভবনের ১২ তলার একটি ফ্ল্যাটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে দুই তরুণের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৭ জুন) দিবাগত রাত ১টা ৫ মিনিটের দিকে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।
ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার প্রচেষ্টার পর রাত ৩টা ৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট ও জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। সেখানে রাত সাড়ে ৩টার দিকে চিকিৎসকেরা তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতরা হলেন মো. জনি (২৪) ও মো. আবদুস সালাম (২০)। আবদুস সালাম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আল নোমানের ক্লার্ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অন্যদিকে জনি অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের ছেলে ব্যারিস্টার মোয়াজের ক্লার্ক হিসেবে কাজ করতেন।
দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া নাজমুল সরোয়ার জানান, আবদুস সালামের বাড়ি বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার বড় ভাদাহার এলাকায়। তিনি মো. সেলিম সরকারের ছেলে। নিহত জনির বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বাবুন্দিয়া গ্রামে। তিনি বাবুল মিয়ার ছেলে। কর্মসূত্রে তাঁরা কাঁটাবনের ওই ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন।
শনিবার সকালে ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার খালিদা ইয়াসমিন বলেন, আগুনে দগ্ধ দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। পরে তাঁদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক জানান, নিহতদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি। এ বিষয়ে তদন্ত শেষে ফায়ার সার্ভিস বিস্তারিত তথ্য জানাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
১১৭ বার পড়া হয়েছে