সর্বশেষ

সারাদেশ

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সিলেটে বন্যার শঙ্কা, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট
স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট

সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬ ৩:৫২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
টানা বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে দ্রুত বাড়ছে সিলেট অঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

কয়েক দিন ধরে চলা ভারি বৃষ্টিপাত এবং ভারতের মেঘালয় ও আসাম অঞ্চল থেকে নেমে আসা ঢলের প্রভাবে সিলেট অঞ্চলের নদ-নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী চার দিন সিলেট বিভাগ এবং এর উজানে ভারতের মেঘালয়, আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। এর প্রভাবে সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকার নদীগুলোর পানি আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টের পানি দ্রুত বাড়ছে এবং কয়েকটি স্থানে তা বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আগামী দু-এক দিনের মধ্যে নদীগুলোর বেশিরভাগ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।

এ ছাড়া সিলেট বিভাগের সারি, গোয়াইন, লোভাছড়া ও ধলাই নদীর পানিও ক্রমাগত বাড়ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, আগামী তিন দিন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে ৩৯ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ১৪২ মিলিমিটার। দুপুর পর্যন্তও সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টি অব্যাহত ছিল।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের বৃষ্টিপাতের মাত্রা এবং উজান থেকে নেমে আসা পানির প্রবাহের ওপর নির্ভর করবে সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেট কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানি ১২ দশমিক ২০ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছিল, যেখানে বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৭৫ মিটার। সিলেট পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি ছিল ৯ দশমিক ৩৭ মিটার, আর সেখানে বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮০ মিটার।

কুশিয়ারা নদীর অমলশীদ, শেওলা ও ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টের পানিও বিপৎসীমার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে সারিঘাট, জাফলং, গোয়াইনঘাট, লোভাছড়া ও ধলাই নদীর পানিও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, ভারতের মেঘালয় পার্বত্য এলাকায় ভারি বৃষ্টিপাত হলে সিলেট অঞ্চলের নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এ কারণে নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

১২২ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন