সর্বশেষ

সারাদেশ

শিশু রিফাত হত্যা: ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৫ জনের ১০ বছরের কারাদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া
স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া

রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬ ১১:২৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বগুড়ার শাজাহানপুরে আট বছর বয়সী শিশু রিফাত হোসেনকে অপহরণ করে হত্যা এবং মরদেহ গুমের চেষ্টার ঘটনায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অপরাধ সংঘটনের সময় নাবালক থাকায় আরও পাঁচজনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ২ জন

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় শিশু রিফাত হোসেন হত্যা মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচজনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রবিবার দুপুরে বগুড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মো. আনোয়ারুল হক এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন শাজাহানপুর উপজেলার খাদাস এলাকার আবুল কালাম আজাদ, সাগর, সেলিম ইসলাম, মেহেদী হাসান ও রাজু ইসলাম (পাঁচফুল)। এদের মধ্যে সাগর ও সেলিম ইসলাম বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ২ জন

এ ছাড়া, আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশু হিসেবে সজিব হাসান, মফিজুল ইসলাম, জাহিদ হাসান, বোরহান আলী ও বায়েজিদ হোসেনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত সূত্র জানায়, বর্তমানে তাদের বয়স প্রায় ২৬ বছর হলেও অপরাধ সংঘটনের সময় তারা নাবালক ছিলেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, নিহত রিফাত হোসেন শাজাহানপুর উপজেলার খাদাস হাটখোলা এলাকার প্রবাসী এনামুল হকের ছেলে। ২০১৮ সালের ১৫ জুলাই বিকেলে রিফাত নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধির পরিবারের মাধ্যমে খবর আসে, পার্শ্ববর্তী পোয়ালগাছা গ্রামের একটি সেতুর নিচে এক শিশুর মরদেহ পাওয়া গেছে। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে এনামুল হক তার ছেলে রিফাতের মরদেহ শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় তিনি শাজাহানপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ১ জন


আদালত সূত্রে জানা যায়, প্রবাসফেরত এনামুল হকের কাছে প্রতিবেশী আবুল কালাম আজাদ বিভিন্ন সময় টাকা দাবি করতেন। ঘটনার দিনও তিনি এক লাখ টাকা ধার চান। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় ক্ষুব্ধ হয়ে আসামিরা রিফাতকে অপহরণ করে হত্যা করে এবং পরে মরদেহ গুমের চেষ্টা চালায় বলে তদন্তে উঠে আসে।

মামলায় মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছিল। তবে বিচার চলাকালে আসামি মাসুদ রানা মারা যাওয়ায় তার নাম মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রমে আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত আদালতে উপস্থাপন করা হয়। এসব তথ্য পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় দেন।

১৩১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন