সর্বশেষ

আইন-আদালত

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা: ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শুরু যেকোনো দিন

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬ ৮:১২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের ডেথ রেফারেন্স এবং জেল আপিলের শুনানির প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে।
রামিসা হত্যার প্রধান আসামি

পেপারবুক সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছানোর পর বর্তমানে চলছে যাচাই-বাছাইয়ের কাজ। ফলে যেকোনো দিন হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে মামলাটির শুনানি শুরু হতে পারে।

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের ডেথ রেফারেন্স এবং জেল আপিল শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বিজি প্রেস থেকে পেপারবুক আদালতে পৌঁছানোর পর এখন নথিপত্র যাচাইয়ের কাজ চলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হলে মামলাটি হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে। সে ক্ষেত্রে যেকোনো দিন বহুল আলোচিত এই মামলার শুনানি শুরু হতে পারে।

গত ৯ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায়ে স্বাক্ষর করার পর প্রয়োজনীয় নথি অনুমোদনের জন্য উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, কোনো ফৌজদারি মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন বাধ্যতামূলক। এ প্রক্রিয়াকে ডেথ রেফারেন্স মামলা বলা হয়। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের জেল আপিলও উচ্চ আদালতে শুনানি হয়ে থাকে।

এর আগে গত ৭ জুন রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল। আদালত সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পাশাপাশি সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

আদালত রায়ে উল্লেখ করেন, অর্থদণ্ডের অর্থ ভুক্তভোগী রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীরা পাবেন। ক্ষতিপূরণ পরিশোধ না করলে আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে সেই অর্থ উত্তরাধিকারীদের দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, হত্যার আগে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছিল এবং তার শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আদালতের মতে, আসামি সোহেল রানার দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রত্যাহারের কোনো আবেদন না থাকায় এটি স্বেচ্ছায় দেওয়া হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। একই সঙ্গে আদালত উল্লেখ করেন, স্বপ্না আক্তার অপরাধ সংঘটনের পর স্বামীকে পালাতে সহযোগিতা করেছিলেন এবং অপরাধ প্রতিরোধে কোনো কার্যকর ভূমিকা পালন করেননি।

১২০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আইন-আদালত নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন