সর্বশেষ

রাজনীতি

ফেসবুকে প্রচারণা নাকি জনসেবা? ঢাকা উত্তরের কাউন্সিলর প্রার্থীর কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬ ৫:০৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ডে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য আবুল কালাম আজাদের সামাজিক কর্মকাণ্ড ঘিরে এলাকায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তার বিভিন্ন জনসম্পৃক্ত কার্যক্রমের ছবি ও ভিডিও নিয়মিত ফেসবুকে প্রকাশ করা হলেও তা নিয়ে উঠছে ভিন্নমত ও প্রশ্ন।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একাধিক পোস্টে দেখা যায়, আবুল কালাম আজাদ সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সঙ্গে ড্রেন পরিষ্কার ও ঝাড়ু দেওয়ার কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। এসব পোস্টের ক্যাপশনে দাবি করা হচ্ছে, এসব কর্মসূচি তার নিজ উদ্যোগে পরিচালিত এলাকাভিত্তিক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম।

তবে স্থানীয়দের একটি অংশ এই উপস্থাপনাকে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নিয়মিত দায়িত্বের অংশ হিসেবে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা এসব কাজ করলেও সেটিকে ব্যক্তিগত উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করা কতটা যৌক্তিক—তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

এ বিষয়ে আবুল কালাম আজাদের ছেলে নাহিদ রেজা তুষার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার না হওয়ার অভিযোগ পাওয়ার পর তার বাবা সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে কর্তৃপক্ষ পরিচ্ছন্নতা কর্মী পাঠিয়ে ড্রেন পরিষ্কারের ব্যবস্থা করে। তাদের দাবি, এই সমন্বয়মূলক উদ্যোগকেই ফেসবুকে প্রচার করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও কিছু ছবিতে দেখা যায়, তার সমর্থকেরা বিভিন্ন দেয়াল থেকে পোস্টার অপসারণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করছেন। পরে সেই কার্যক্রমও ফেসবুকে প্রচার করা হয়েছে।

এ নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। তাদের কেউ কেউ বলছেন, দেয়াল পরিষ্কার করা হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই আবার পোস্টারে ঢেকে যায়, ফলে এসব কার্যক্রম স্থায়ী সমাধান দিতে পারছে না। তাদের মতে, এটি বাস্তব জনসেবার চেয়ে প্রচারণামূলক উদ্যোগ হিসেবেই বেশি প্রতিফলিত হচ্ছে।

নাগরিক সমাজের পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের জনসম্পৃক্ততা ইতিবাচক হলেও এর বাস্তব প্রভাব, ধারাবাহিকতা এবং স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। তাদের মতে, টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হলে প্রচারণা ও প্রকৃত জনসেবার মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য থাকা জরুরি।

স্থানীয়দের আরেকটি অংশ মনে করেন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বা দেয়াল পরিষ্কারের মতো উদ্যোগের চেয়ে দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামোগত সমস্যা, জলাবদ্ধতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখাই একজন জনপ্রতিনিধির প্রকৃত মানদণ্ড হওয়া উচিত।

১৯৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
রাজনীতি নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন