সর্বশেষ

সারাদেশ

পতিসরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী ঘিরে উৎসবের আমেজ

মামুনুর রশীদ বাবু, নওগাঁ
মামুনুর রশীদ বাবু, নওগাঁ

বৃহস্পতিবার , ৭ মে, ২০২৬ ৫:৩০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার পতিসর এলাকায় শুরু হয়েছে উৎসবের আমেজ। কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত পতিসর কাচারিবাড়ী ও আশপাশের এলাকা নতুন সাজে সজ্জিত করা হয়েছে। দিনব্যাপী আয়োজিত এ উৎসবকে ঘিরে পুরো এলাকা এখন পরিণত হয়েছে এক মিলনমেলায়।

নওগাঁ শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার নিভৃত পল্লী পতিসরে রয়েছে কবিগুরুর ঐতিহাসিক স্মৃতি। কালীগ্রাম পরগণার জমিদারির অংশ হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৯১ সালে প্রথম এখানে আসেন এবং ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত নিয়মিতভাবে এই পতিসর কাচারিবাড়ীতে অবস্থান করেন। এখানেই তিনি রচনা করেছেন অসংখ্য কবিতা, প্রবন্ধ ও গল্প।

এবারের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে পতিসর কাচারিবাড়ীকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী উপকরণ, যা উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে থাকবে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং গ্রামীণ মেলা। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কবিপ্রেমী মানুষদের আগমনে পতিসর রূপ নেবে এক বর্ণাঢ্য মিলনমেলায়।

পতিসর কাচারিবাড়ী সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রসঙ্গে রবীন্দ্র সংগ্রহশালার প্রতিষ্ঠাতা এম মতিউর রহমান মামুন বলেন, কবিগুরু শুধু সাহিত্য নয়, সমাজ সংস্কারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তবে তার স্মৃতি সংরক্ষণে পূর্ণাঙ্গ উদ্যোগ এখনো যথাযথভাবে নেওয়া হয়নি। তিনি এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ জাদুঘর ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান।

কালীগ্রাম রথীন্দ্রনাথ ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক মো. আহসান হাবিব বলেন, রবীন্দ্রনাথের শিক্ষা দর্শন এখনও যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। তার শিক্ষা ভাবনাকে ধারণ করে একটি গবেষণা কেন্দ্র ও আর্কাইভ প্রতিষ্ঠা করা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহা. মনিরুজ্জামান জানান, সকাল ১০টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনের কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর দেবেন্দ্র মঞ্চে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে দেশের বিশিষ্ট কবি-সাহিত্যিক ও গবেষকরা অংশ নেবেন। বিকেল পর্যন্ত চলবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গ্রামীণ মেলা।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে নওগাঁর পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থাও দায়িত্ব পালন করবে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ মো. রেজাউল ইসলাম জানান, এবারের আয়োজনকে কেন্দ্র করে প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠন সমন্বিতভাবে কাজ করছে। তার আশা, এবারের জন্মজয়ন্তী হবে পতিসরের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ ও স্মরণীয় আয়োজন।

১১৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন