সামরিক-বেসামরিক সমন্বয়ই রাষ্ট্রকে শক্তিশালী করার ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা
বুধবার, ৬ মে, ২০২৬ ৩:৩৬ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
ঢাকা, মঙ্গলবার: জেলা প্রশাসক সম্মেলনে সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের পারস্পরিক সহযোগিতাকে রাষ্ট্রীয় শক্তি ও স্থিতিশীলতার মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ-সংক্রান্ত অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনী সব সময়ই বেসামরিক প্রশাসনের পাশে থেকে জাতীয় প্রয়োজনে দায়িত্ব পালন করে আসছে। পারস্পরিক আস্থা, শ্রদ্ধা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে গড়ে ওঠা এই সম্পর্ক দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতেও সশস্ত্র বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় স্থাপনা—যেমন সচিবালয়, সুপ্রিম কোর্ট, বিমানবন্দর ও ব্যাংকিং খাতে—নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক সমাধান ও শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা রেখে নির্বাচন ব্যবস্থায় সহযোগিতাও করেছে সেনাবাহিনী।
উপদেষ্টা অভিযোগ করেন, কিছু মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করলেও তা সফল হয়নি, কারণ জনগণের আস্থা ও প্রশাসনের সমন্বয় ছিল দৃঢ়।
অন্যদিকে, অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, সামরিক ও বেসামরিক বাহিনী একসঙ্গে কাজ করলে যেকোনো কঠিন কাজও সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব—সাম্প্রতিক নির্বাচন তারই উদাহরণ।
তিনি জেলা প্রশাসকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, দেশের ইতিহাসে একটি সুন্দর নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে এবং সেনাবাহিনী যেকোনো প্রয়োজনে প্রশাসনের পাশে থাকবে।
অনুষ্ঠানে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানরা নিজ নিজ বাহিনীর কার্যক্রম, আধুনিকায়ন ও উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
১৩০ বার পড়া হয়েছে