আশুলিয়ায় লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত শিল্পাঞ্চল, ডিইপিজেডে উৎপাদন স্বাভাবিক
বুধবার, ৬ মে, ২০২৬ ৬:৫৩ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের বাইরের এলাকাগুলোতে তীব্র বিদ্যুৎ বিভ্রাটে উৎপাদন ব্যাহত হলেও ডিইপিজেড (ঢাকা এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন) এলাকার কারখানাগুলোতে উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক ও নিরবচ্ছিন্ন রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে হঠাৎ করে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে দিনে ৬ থেকে ৭ বার পর্যন্ত লোডশেডিং শুরু হয়। এতে অধিকাংশ কারখানার উৎপাদন কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে। তবে ডিইপিজেড কর্তৃপক্ষ তাদের আওতাধীন কারখানাগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করায় পুরাতন ও নতুন জোনের কোনো কারখানাতেই উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটেনি।
গ্লোবাল লেবেল (বাংলাদেশ) লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার মাহমুদুল হাসান বলেন, “তীব্র লোডশেডিংয়ের মধ্যেও আমরা ডিইপিজেড থেকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পেয়েছি। এর ফলে আমাদের উৎপাদনে কোনো প্রভাব পড়েনি। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, এই সেবা পাওয়ার জন্য অতিরিক্ত কোনো বিলও পরিশোধ করতে হয়নি।”
ডিইপিজেডের বিদ্যুৎ সরবরাহের মূল দায়িত্বে থাকা ইউনাইটেড পাওয়ার জানিয়েছে, তাদের গ্যাসনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন সক্ষমতা ৮৬ মেগাওয়াট। প্রতিদিন ডিইপিজেডের চাহিদা অনুযায়ী ৪০ থেকে ৪৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নিরবচ্ছিন্নভাবে সরবরাহ করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটির প্ল্যান্ট ম্যানেজার প্রকৌশলী মো. গোলাম আরিফ বলেন, গ্যাসের চাপ কমে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন বজায় রাখা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। এ পরিস্থিতিতে গ্যাস বুস্টার ব্যবহার করে চাপ বাড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখা হয়, যাতে শিল্প এলাকায় কোনো ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট না ঘটে।
ডিইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম জানান, তাদের আওতাধীন এলাকায় প্রতিদিন ৪০ থেকে ৪৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে। এই বিদ্যুৎ নিয়মিতভাবে ইউনাইটেড পাওয়ার থেকে সংগ্রহ করে কারখানাগুলোতে সরবরাহ করা হয়। সরবরাহকৃত বিদ্যুতের মান ভালো হওয়ায় যন্ত্রপাতির কোনো ক্ষতি হয় না এবং উৎপাদনও নির্বিঘ্ন থাকে।
উল্লেখ্য, ডিইপিজেডের পুরাতন ও নতুন জোনে বর্তমানে অন্তত ৯০টি শিল্প কারখানা চালু রয়েছে।
১৪০ বার পড়া হয়েছে