সর্বশেষ

সারাদেশ

বান্দরবানে যাত্রা শুরু করল ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’

স্টাফ রিপোর্টার, বান্দরবান
স্টাফ রিপোর্টার, বান্দরবান

শনিবার, ২ মে, ২০২৬ ৫:১৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ খুঁজে বের করে জাতীয় পর্যায়ে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে বান্দরবানে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’। শনিবার (২ মে) বান্দরবান জেলা স্টেডিয়ামে উৎসবমুখর পরিবেশে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

আশির দশকের জনপ্রিয় প্রতিভা অন্বেষণ উদ্যোগ ‘নতুন কুঁড়ি’র ধারাবাহিকতায় আয়োজিত এই আয়োজনকে দেশের ভবিষ্যৎ ক্রীড়া প্রতিভা গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানটি সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি তারেক রহমান। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হাজারো অংশগ্রহণকারীর সঙ্গে একযোগে যুক্ত হয়ে তিনি এই ক্রীড়া কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘোষণা করেন।

বান্দরবান জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য সাচিংপ্রু জেরী।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. আবদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবু তালেব, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, বান্দরবান প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এন. এ. জাকিরসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

সংসদ সদস্য সাচিংপ্রু জেরী বলেন, “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস একটি সময়োপযোগী ও ঐতিহাসিক উদ্যোগ। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম শারীরিক ও মানসিকভাবে গড়ে উঠবে, যা দেশের ক্রীড়া অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

তিনি আরও বলেন, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্কুলের মাঠগুলো খেলাধুলার উপযোগী করে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করতে হবে, যাতে সরকারের ক্রীড়া উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহজ হয়।

এ আয়োজনের অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারী কিশোর-কিশোরীদের জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নির্ধারিত হারে ভাতা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি প্রতিযোগীদের জার্সি ও সনদপত্র দেওয়া হচ্ছে। জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত খেলোয়াড়রা দীর্ঘমেয়াদি আবাসিক প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। এছাড়া প্রতিভাবানদের জন্য বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-তে ভর্তির সুযোগও থাকবে।

আয়োজক ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং দেশের ক্রীড়া সংস্কৃতি বিকাশ ও প্রতিভা অন্বেষণের একটি বড় উদ্যোগ। সঠিক পরিচর্যা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে এখান থেকে উঠে আসা খেলোয়াড়রা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে—এমন প্রত্যাশা সবার।

১১৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন