সর্বশেষ

সারাদেশ

ভোলায় মতবিনিময় সভায় স্পিকার হাফিজের গণতন্ত্র, সুশাসন ও উন্নয়ন নিয়ে বক্তব্য

মেজবাহ উদ্দিন শিপু, ভোলা
মেজবাহ উদ্দিন শিপু, ভোলা

শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৫০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভোলায় তিন দিনের সফরের শেষ দিনে জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন।

শনিবার সকালে ভোলা সার্কিট হাউসে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় স্পিকার বলেন, ভোলায় স্পিকার হিসেবে পদার্পণের মধ্য দিয়ে তার মনে হয়েছে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে। তিনি দাবি করেন, গত ২০ বছর বাংলাদেশের মানুষ কার্যকর গণতন্ত্রের স্বাদ পায়নি। তার মতে, বর্তমান বিশ্বে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ছাড়া উন্নয়নের অন্য কোনো কার্যকর মাধ্যম নেই।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ রাজনৈতিকভাবে সচেতন এবং তারা কোনো স্বৈরশাসন মেনে নেয় না। অত্যাচার, নিপীড়ন, গুম ও খুনসহ নানা নির্যাতন উপেক্ষা করে জনগণ রাজপথে নেমে এসে আবারও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে।

স্পিকার জানান, ২০২৪ সালের গণআন্দোলন সারা বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, যা জাতির জন্য গৌরবের বিষয়। তিনি বলেন, উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে অনেক পরাশক্তি হেয় করার চেষ্টা করলেও গণতন্ত্রের জন্য জনগণের সংগ্রাম বিশ্বে দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে।

মানবাধিকার প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিত্যদিনের ঘটনা হলেও বাংলাদেশের মানুষ মানবাধিকারকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত সরকার দেশের মানুষের জন্য সুখ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

স্পিকার আরও বলেন, দেশে দলমত নির্বিশেষে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সুসম্পর্ক বিরাজ করছে এবং দীর্ঘদিন পর সাধারণ মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সরকার কাজ করছে।

সরকার ও বিরোধী দলকে সমানভাবে গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিচার বিভাগ বিবেচনার ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত দিয়েছে, যা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।

এর আগে স্পিকার সার্কিট হাউসে পৌঁছালে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। সভা শেষে তিনি বরিশাল হয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ কাওসার, জেলা পরিষদ প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলম, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলামসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা।

১১৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন