অবরোধ প্রত্যাহার, সোয়া পাঁচ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬ ৬:৩৩ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রাম একই ইউনিয়নে পুনর্বহালের দাবিতে দেওয়া সড়ক ও রেলপথ অবরোধ প্রত্যাহার করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে প্রায় সোয়া পাঁচ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতগামী যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলও স্বাভাবিক হয়েছে।
রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল সোয়া ১১টার দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নিলে রেল ও সড়কপথে যান চলাচল শুরু হয়। এর আগে সকাল ৬টা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার তিতাস সেতু ও কোড্ডা কেবিন এলাকায় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বাসুদেব ইউনিয়নের ছয় গ্রামের বাসিন্দারা।
অবরোধের কারণে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীবাহী ট্রেন আটকে পড়ে। পারাবত, পর্যটক এক্সপ্রেস, মহানগর, সুবর্ণ এক্সপ্রেস ও উপকূল এক্সপ্রেসসহ কয়েকটি ট্রেনের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
এ ছাড়া সুলতানপুর-চিনাইর-আখাউড়া-আগরতলা সড়কেও যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভারতগামী যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। অবরোধ প্রত্যাহারের পর এসব পথে যান চলাচল আবার শুরু হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চলতি বছরের মে মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়ন থেকে ছয়টি গ্রাম আলাদা করে বরিশল নামে নতুন একটি ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করা হয়। গ্রামগুলো হলো কোড্ডা, বৈষ্ণবপুর, শ্যামনগর, কোড়াবাড়ী, চান্দি ও বরিশল।
নতুন ইউনিয়নটিকে আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে গত ৪ জুন গেজেট প্রকাশিত হয়। তবে ছয়টি গ্রামকে আগের মতো বাসুদেব ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত রাখার দাবিতে আন্দোলনে নামেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দাবি পূরণ না হলে প্রতিদিন একই ধরনের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেন তাঁরা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। আলোচনার পর তাঁরা অবরোধ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
১৪০ বার পড়া হয়েছে