অর্থনৈতিক দুর্নীতির চেয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি বেশি ক্ষতিকর: আইনমন্ত্রী
রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬ ৬:৩০ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
বিচার বিভাগকে অর্থনৈতিক দুর্নীতির চেয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ত্রয়োদশ সংশোধনীও বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতির ফসল। বিচার বিভাগের শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠা, বিচারকদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনতা রক্ষায় সরকারের অবস্থানের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
বিচার বিভাগে অর্থনৈতিক দুর্নীতির তুলনায় বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি বেশি ক্ষতি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তাঁর মতে, ত্রয়োদশ সংশোধনী বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতিরই সৃষ্টি।
রোববার (৮ নভেম্বর) বিচারিক শুদ্ধাচার কর্মশালায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বিচার বিভাগে অর্থনৈতিক দুর্নীতি যতটা না ক্ষতি করেছে, তার চেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি।’
বিচারকদের সততা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জজের নামের সঙ্গে সৎ জজ কথাটি অতিরঞ্জন। জজের কাজটাই সততা রক্ষা করা।’
যেসব বিচারকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের বিষয়ে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে বলেও জানান আইনমন্ত্রী। একই সঙ্গে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
বিচার বিভাগের অতীত ভূমিকার প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘যখন সালাহউদ্দিন আহমদ গুম হলেন, বিচার বিভাগ তার পাশে দাঁড়ায়নি।’
এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়েও বক্তব্য দেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনগত পদক্ষেপ নেবে সরকার।
আইনমন্ত্রীর ভাষ্য, এ চুক্তির আওতায় ভারত সরকার শেখ হাসিনাকে ফেরত দেবে বলে আশা করছে সরকার। তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য আইনগতভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
কর্মশালায় আইনমন্ত্রী বিচার বিভাগের শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠা, বিচারকদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সুরক্ষায় সরকারের অঙ্গীকারের বিষয়টি তুলে ধরেন।
১২৩ বার পড়া হয়েছে